বগুড়ার ধুনট উপজেলার গোসাইবাড়ী ইউনিয়নের পূর্ব গুয়াডহুরি গ্রামে মানাস নদীতে দীর্ঘদিনেও সেতু নির্মাণ করা হয়নি। স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁশের সাঁকোই কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই সেতু দিয়ে শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষকে নদী পারাপার হতে হয়। ভুক্তভোগীরা অবিলম্বে সেখানে একটি আরসিসি সেতু নির্মাণে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সরেজমিন জানা যায়, ধুনট উপজেলার গোসাইবাড়ী ইউনিয়নের পূর্ব গুয়াডহুরি গ্রামের পাশ দিয়ে মানাস নদী প্রবাহিত। অনেক দাবির পরেও জনপ্রতিনিধি বা প্রশাসন কেউই ওই নদীর উপরে সেতু নির্মাণ করেননি। স্থানীয় লোকজন নিরুপায় হয়ে নদী পারাপারের জন্য স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেছেন। ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন সাঁকোর উপর দিয়ে চিকাশী, জোড়শিমুল, গোসাইবাড়ী, পূর্ব গুয়াডহুরী ও গজারিয়া গ্রামের বিভিন্ন পেশার হাজারো মানুষ যাতায়াত করেন।
পূর্ব গুয়াডহুরি গ্রামের শিক্ষক আতাউর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এই বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে কয়েকটি গ্রামের ছাত্রছাত্রীদের গোসাইবাড়ী কলেজ ও স্কুলে যাতায়াত করতে হয়। এছাড়া মালামাল ও কৃষিপণ্য পরিবহনে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’
গোসাইবাড়ী মনিং সান স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র সুফল কুমার জানায়, স্কুলে যেতে এই সাঁকোর উপর দিয়েই পারাপার হতে হয়। নদীতে পানি বাড়লে নৌকায় পার হতে আরো দুর্ভোগ বেড়ে যায়।
এ প্রসঙ্গে ধুনট উপজেলা প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, মানাস নদীর উপর আরসিসি সেতু নির্মাণের প্রস্তাবনা সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই জনস্বার্থে সেতুটি নির্মাণ করা হবে।








