সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হারুনুর রশিদের (৪৮) বিরুদ্ধে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা আড়াইটায় সেলাই মেশিন দেওয়ার কথা বলে নিজ কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে চেয়ারম্যান তাকে ধর্ষণ করেন বলে ওই নারী পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছেন।
এ ঘটনার সময় ওই নারীর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন সেখানে উপস্থিত হলে চেয়ারম্যান কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে যান।
নির্যাতনের শিকার ওই নারী বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, বুধবার বিকালে সেলাই মেশিন দেওয়ার কথা বলে উপজেলা চেয়ারম্যান তাকে কার্যালয়ে আসতে বলেন। তিনি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে সেখানে গেলে চেয়ারম্যান তাকে কার্যালয়ের দোতলায় বিশ্রামাগারে বসতে বলেন।এরপর চেয়ারম্যান রুমের দরজা বন্ধ করে তাকে ধর্ষণ করেন। পরে তাকে পুলিশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসলে তিনি বাদী হয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে বিশ্বম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন,‘বুধবার দুপুরে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. হারুনর রশিদকে তার কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলার বিশ্রামাগারে আনুমানিক ২৫-২৬ বছর বয়সী এক নারীকে ধর্ষণ অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি ওই নারীকে সেলাই মেশিন দেওয়ার কথা বলে তার কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ওই নারী বিবাহিত, ৪ সন্তানের জননী। এ ঘটনায় ধর্ষিতা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।’
থানা ওসি মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে আরও বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মামলা নেওয়া হয়েছে। নির্যাতিতার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হবে। আসামি গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে।’
ন্যক্কারজনক এ ঘটনার বিচার ও চেয়ারম্যানকে গ্রেফতারের দাবিতে এলাকাবাসী উপজেলা সদরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে।








