ফেনীতে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যার পর হাসপাতালে লাশ রেখে স্বামী মোহাম্মদ সোহেল পালিয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে। নিহত গৃহবধূর নাম জাহেদা খাতুন মাম্মি (২০)। সে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বালিয়াকান্দি গ্রামের শাহাব উদ্দিনের মেয়ে।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছালেহ আহমেদ পাঠান বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকালে কয়েকজন লোক গৃহবধূ জাহেদাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে আসে। সে সময় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করলে স্বামী সোহেল উধাও হয়ে যায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানানোর পর নিহতের পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ। গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী আধুনিক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের স্বজন ফাতেমা বেগম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বুধবার রাতে জাহেদাকে যৌতুকের জন্য স্বামী সোহেল ও তার পরিবারের লোকজন পিটিয়ে হত্যা করেছে। ২০১৬ সালে জাহেদার সঙ্গে একই উপজেলার রাজারামপুর এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ সোহেলের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে স্বামী ও তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন প্রায়ই তাকে যৌতুকের জন্য নির্যাতন করত।’
দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবুল খায়ের মিয়াজী বলেন, ‘ভোর রাতে কয়েকজন লোক এক গৃহবধূকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে আসে। পরে তাকে মৃত ঘোষণা করা হলে তারা লাশ রেখে পালিয়ে যায়।’








