চাঁদপুরে বড় স্টেশন মোলহেডে ত্রিনদী মোহনায় লঞ্চের ধাক্কায় একটি বাল্কহেড ডুবে গেছে। রবিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী মো. সোলেইমান, আবুল হোসেনসহ আরো কয়েকজন ডিঙিমাঝি বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, সকালে আবে জম জম-১ নামে একটি লঞ্চ ডাকাতিয়া দিয়ে ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিল। ত্রিনদী মোহনায় হঠাৎ এমভি বিসমিল্লাহ নামে একটি বাল্কহেড অপরদিক থেকে লঞ্চটিকে ক্রস করার সময় ধাক্কা লাগলে সঙ্গে সঙ্গে সেটি নদীতে ডুবে যায়।
এই দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে এমভি বিসমিল্লাহ বাল্কহেডের মালিক সলেমান ঢালী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বাল্কহেডটি প্রায় ৩ হাজার বর্গফুট বালু নিয়ে মোহনপুর দশআনী থেকে রওনা দিয়ে ডাকাতিয়া ত্রিনদী মোহনা হয়ে ৫ নম্বর ঘাটে মাল আনলোড করার জন্য আসছিল।এ সময় বেআইনিভাবে লঞ্চটি ধাক্কা দিলে বাল্কহেডটি ডুবে যায়। বাল্কহেডে থাকা সুকানি মোশাররফ (৬০), মিস্ত্রি সাইফুল (৩৭),স্টাফ নীরব (২০) জীবন বাঁচাতে আহত অবস্থায় নদীতে ঝাঁপ দেন। এ ঘটনায় লঞ্চ কর্তৃপক্ষকে দায়ী করে আমরা করে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
আবে জম জম লঞ্চের সুকানি আবদুল মান্নান বলেন, ‘আমরা নিয়ম মোতাবেক চাঁদপুর ত্রিমোহনা দিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলাম। ওই বাল্কহেডটি প্রচণ্ড স্রোতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আমাদের লঞ্চটির সঙ্গে ধাক্কা লাগায়। এতে লঞ্চের তলা ফেটে গেলে আমরা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে লঞ্চটিকে সারিয়ে ফেলি। এ সময় আমাদের লঞ্চে থাকা যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়লে আমরা দ্রুত লঞ্চটি নিয়ে চাঁদপুর লঞ্চ টার্মিনালে পৌঁছাই।’
এদিকে এ ঘটনায় চাঁদপুর নৌ পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো.জাকির হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা বাল্কহেডটি ডোবার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। উভয়পক্ষকে খবর দেওয়া হয়েছে। তাদের সঙ্গে আলাপ করে বিস্তারিত জেনে পরবর্তী ব্যবস্থা নেব।’
উল্লেখ্য, চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা ডাকাতিয়ার মিলনস্থল বড়স্টেশন এলাকায় এর আগেও বেশ কয়েকটি নৌযান ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।








