গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার রামশীল ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার মনোরঞ্জন বালার বিরুদ্ধে বয়স্ক ভাতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে কার্ডধারী তুলসী হালদার, রাসমনি মিস্ত্রি, অমৃত গাইন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ থেকে জানা গেছে, মনোরঞ্জন বালা তার ওয়ার্ডে বিতরণের জন্য ১৭টি কার্ড পেয়েছিলেন। তিনি এই কার্ড বিতরণের সময় প্রতি কার্ডধারীর কাছ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা থেকে দুই হাজার টাকা আদায় করেন। পরে কার্ডধারীরা সোনালী ব্যাংক ঘাঘর বাজার শাখা থেকে ছয় হাজার টাকা করে ভাতা উত্তোলন করেন। ব্যাংক থেকে কার্ডধারীরা ভাতার টাকা নিয়ে বের হওয়ার সময় ওই ইউপি মেম্বার প্রত্যেক কার্ডধারীদের কাছ থেকে জোর করে আরও তিন থেকে চার হাজার নিয়ে নেন।
এ বিষয়ে মুশুরিয়া গ্রামের কার্ডধারী তুলসী হালদার বলেন, বয়স্ক ভাতার ছয় হাজার টাকা পেয়েছিলাম। ব্যাংক থেকে ভাতার টাকা নিয়ে বের হওয়ার পর মেম্বার মনোরঞ্জন বালা আমার কাছ থেকে জোর করে তিন হাজার টাকা নিয়ে গেছেন।
একই গ্রামের অমৃত গাইনেরও একই ধরনের অভিযোগ। তিনি বলেন, কার্ড দেওয়ার আগে মনোরঞ্জন আমার কাছ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা নিয়েছিলেন। পরে ভাতার টাকা উত্তোলনের সময় জোর করে আরও তিন হাজার টাকা নিয়ে নেন।
তবে নিজের বিরুদ্ধে উঠা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউপি মেম্বার মনোরঞ্জন বালা। তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, আমি কারও কাছ থেকে কোনও টাকা নিইনি। আমার প্রতিপক্ষ আমার নামে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে।
সার্বিক বিষয়ে কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম মাহফুজুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।








