প্রেমের সম্পর্ক অভিভাবক মেনে না নেওয়ায় প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে বিয়ে করেছিল স্কুলছাত্রী ইসরাত জাহান ইতি। বিয়ের কয়েকদিন পরেই বাবার বাড়ি থেকে মোটা অংকের টাকা যৌতুক আনার জন্য স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা নির্যাতন শুরু করে নববধূর ওপর। তাদের অব্যাহত নির্যাতন সইতে না পেরে অবশেষে চিরকুট লিখে আত্মহত্যা করে জীবনের ইতি টেনেছে ইতি।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৪ অক্টোবর) রাতে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি জেলার মুলাদী উপজেলার বাটামারা ইউনিয়নের চরবাটামারা গ্রামের। ওই গ্রামের মোকসেদ হাওলাদার বাদী হয়ে কন্যা ইসরাত জাহান ইতিকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার দায়ে মামলা দায়ের করেন। মামলায় একই গ্রামের ফরিদ ভূঁইয়ার ছেলে সুজন ভূঁইয়া এবং আতাউর রহমান, আলাউদ্দিনসহ চারজনকে আসামি করা হয়েছে।
মুলাদী থানার ওসি (তদন্ত) সাইদ আহমেদ তালুকদার বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, নববধূ ইসরাত জাহান ইতি মৃত্যুর আগে চিরকুটে যৌতুকের জন্য তার স্বামী ও স্বামীর পরিবারের সদস্যদের দ্বারা নির্যাতনের কথা উল্লেখ করেছেন। এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সূত্রমতে, সুজন ভূঁইয়ার সঙ্গে দশম শ্রেণির ছাত্রী ইসরাত জাহান ইতির প্রেমের সম্পর্ক মেনে নিতে পারেনি ইতির পরিবার। একপর্যায়ে পরিবারের অমতে বিয়ে করে ইতি। বিয়ের পর সুজন ও তার পরিবারের লোকজন মোটা অংকের টাকা যৌতুক আনার জন্য ইতিকে প্রায়ই মারধর করত। তাদের অব্যাহত নির্যাতন সইতে না পেরে গত বুধবার দুপুরে চিরকুট লিখে নববধূ ইসরাত জাহান ইতি আত্মহত্যা করে।








