প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উন্নয়নের ম্যাজিশিয়ান বলে মন্তব্য করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. শ্রী বীরেন শিকদার। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন বিশ্বের কাছে উন্নয়নের বিস্ময়। প্রধানমন্ত্রীর গতিশীল নেতৃত্বে সার্বিক উন্নয়ন তর তর করে এগিয়ে যাচ্ছে। দুঃখী ও মেহনতি মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর লক্ষ্যে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা।’
সোমবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার তাহিরপুরে দুর্গা প্রতিমা স্থাপনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। এ সময় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ উন্নয়নের ম্যাজিশিয়ান শেখ হাসিনাকে হারানো যাবে না। আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কাকে বিজয়ী করতে হবে। তবেই বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করা সম্ভব হবে।’
বীরেন শিকদার বলেন, ‘বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং ধর্মনিরপেক্ষ জ্ঞানভিত্তিক দেশ। এখানে সব ধর্মের মানুষকে মিলেমিশে বসবাস করতে হবে। তাহলেই দেশে শান্তি বিরাজ করবে।’ শেখ হাসিনা সরকারের আমলে দেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসবের জন্য পূজামণ্ডপের সংখ্যা বহুগুণে বেড়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এই বাগমারাকে একসময় রক্তাক্ত জনপদে পরিণত করা হয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকার এ এলাকাকে শান্তির এলাকায় পরিণত করেছে।’ তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের ব্রিজ কালভার্ট ভেঙে দিয়েছিল পাকহানাদার বাহিনী। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাড়ে তিন বছরে তা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে বদলে দিয়েছিলেন দেশের চেহারা। সেই সোনার বাংলা গড়তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন।’
রাকাবের জেনারেল ম্যানেজার বাবর নিশিত কুমার সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (আইসিটি) নজরুল ইসলাম, বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জামিউল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন দে, রাজশাহী জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শ্রী বীরেন্দ্রনাথ সরকার, সহ-সভাপতি অনিল কুমার সরকার, সম্পাদক নির্মল কুমার চ্যাটার্জিসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগ নেতারা।
তাহেরপুরের রাজবাড়ীতে ১৪৮০ খ্রিস্টাব্দে প্রায় ৫৩৮ বছর আগে রাজা কংস নারায়ণ রায় বাহাদুর শ্রী শ্রী দুর্গা মাতা মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। তখনকার যুগে প্রায় নয় লক্ষ টাকা ব্যয়ে মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এবারের দুর্গাপূজা উপলক্ষে অষ্টধাতুর মূর্তি নির্মাণ করতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা।








