আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকাকে জয়যুক্ত করতে চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগ নেতারা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন আওয়ামী লীগ নেতারা। এবারের নির্বাচনে চট্টগ্রামের ষোলোটি আসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিতে চান তারা। মঙ্গলবার (২৭ নভেম্বর) নগর ভবনে এবং জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত পৃথক সভায় আওয়ামী লীগ নেতারা এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
মঙ্গলবার বিকাল ৩টার দিকে নগর ভবনে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের সঙ্গে দেখা করতে যান চট্টগ্রাম-৯ আসন থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারী আওয়ামী লীগ নেতা ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও চট্টগ্রাম-৮ আসন থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারী জাসদের প্রার্থী মঈনুদ্দিন খান বাদল। এ সময় তারা আসন্ন নির্বাচন নিয়ে মেয়রের সঙ্গে আলাপ করেন।
সভায় ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান নওফেল নির্বাচনে নৌকাকে জয়যুক্ত করতে মেয়রের সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন, ‘এই নির্বাচন সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রেক্ষাপটের নির্বাচন। সকল থানা, ওয়ার্ড, ইউনিট থেকে শুরু করে প্রান্তিক পর্যায়ের নেতাকর্মীদেরকে জনগণের দুয়ারে দুয়ারে যেতে হবে। জনগণ যাতে সুষ্ঠুভাবে ও নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সে বিষয়টি আমাদেরকে নিশ্চিত করতে হবে। জনগণ ভোট দিলে আওয়ামী লীগের বিজয় অবশ্যম্ভাবী। এবার চট্টগ্রামের ১৬টি আসন আমরা নেত্রীকে উপহার দেব।’
পরে বিকালে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত বর্ধিত সভায় আওয়ামী লীগ নেতারা বলেন, ‘এই নির্বাচনে আমাদেরকে তিনটি বিষয় মাথায় রেখে কাজ করতে হবে। একটি হচ্ছে, এবার নির্বাচিত হলে জননেত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন জোট তৃতীয় বার সরকার গঠন করবে। দ্বিতীয় বিষয়টি হলো, দেশের উন্নয়ন অগ্রগতির ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হলে এবার আওয়ামী লীগকে সরকার গঠন করতে হবে। না হলে উন্নয়ন থমকে যাবে। দেশ-জাতিকে গণতান্ত্রিক পথে রাখতে হলে নৌকার বিজয় ছাড়া বিকল্প নেই।’
তারা আরও বলেন, ‘নির্বাচন পরিচালনা নিয়ে প্রার্থীদের সঙ্গে মহানগর আওয়ামী লীগ আলোচনা করে পরিকল্পনা গ্রহণ করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিটি ওয়ার্ড, থানা বা ইউনিটের নেতাকর্মীদেরকে দায়িত্ব দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে প্রার্থীদেরকে আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। আওয়ামী লীগ নেতারা যার যার পদ-পদবি অবস্থান অনুযায়ী প্রার্থীদের নির্বাচনি কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবেন। সকল ধরনের সংকীর্ণতা, ভুল বুঝাবুঝি, মতপার্থক্য পরিহার করে আমাদেরকে কাজ করতে হবে। প্রত্যেক ওয়ার্ডে প্রতিদিন নির্বাচনি কর্মসূচি পালন করতে হবে।’








