নির্বাচনি গণসংযোগের সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ (পলাশ) আসনে ঐক্যফ্রন্টের মনোনীত প্রার্থী ড. আব্দুল মঈন খান ও তার কর্মী সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে মঈন খান, দলীয় কর্মী সমর্থক ও পথচারীসহ ৫০ জন আহত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়।
রবিবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুরে নরসিংদীর পাঁচদোনা বাজারে পুলিশের উপস্থিতিতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এ হামলা করেছে বলে অভিযোগ করেন মঈন খান। আহতদের মধ্যে তিনজনকে নরসিংদী জেলা হাসপাতাল ও বাকিদের ঢাকা এবং নরসিংদীর বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের দেওয়ান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করলেও তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানাতে পারেননি।
ড. মঈন খানের ব্যক্তিগত সহকারী বাহাউদ্দীন ভূঁইয়া মিল্টন জানান, মঈন খান ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে গণসংযোগ করতে রবিবার দুপুরে নরসিংদী-২ (পলাশ) নির্বাচনি এলাকার পাঁচদোনা মোড়ে যান। দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে গণসংযোগ করে পাঁচদোনা বাজারে পৌঁছালে দুদিক থেকে আগ্নেয়াস্ত্রধারী স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালান। এসময় পুলিশের সামনেই প্রকাশ্যে গুলি ছুড়তে থাকেন তারা। প্রাণ বাঁচাতে মঈন খানসহ দলীয় নেতাকর্র্মীরা বাজারের একটি দোকানে আশ্রয় নিলে সেখানেও অতর্কিতে হামলা চালানো হয়। এলোপাতাড়ি হামলায় মঈন খানসহ ৫০ জন দলীয় কর্মী সমর্থক ও পথচারী আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে তিনজনকে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বাকিদের নরসিংদী ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের দেওয়ান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে। ঘটনার সময় সেখানে পুলিশ ছিল না।’








