নোয়াখালীর ধর্ষণের ঘটনাকে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে এবং সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্রগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান। তিনি বলেন, ‘সুবর্ণচরের ধর্ষণের ঘটনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে নির্বাচন কমিশন এবং সরকার। এ কারণেই অল্প সময়ের মধ্যে ১০ জন আসামিকে ধরা হয়েছে। আমরা আশাবাদী, সব আসামি ধরা পড়বে এবং আইন অনুসারে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সোমবার (৭ জানুয়ারি) নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সুবর্ণচর উপজেলার চর জুবিলী ইউনিয়নের মধ্য বাগ্যা গ্রামে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর খোঁজ নিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেছেন।
এসময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ‘গণধর্ষণের সঙ্গে জড়িত কেউ ছাড় পাবে না।’ এই বিষয়টি কতটা রাজনৈতিক অথবা কতটা নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তা খতিয়ে দেখতে সাংবাদিকদের প্রতি আহবান জানান তিনি।
বিভাগীয় কমিশনার আরও বলেন, ‘আজকেও একটি টেলিভিশন চ্যানেলে দেখেছি, পূর্ব শত্রুতার জের ধরেই এ ঘটনা ঘটেছে। ৩০ তারিখের নির্বাচনের সঙ্গে এটাকে যুক্ত করা হয়েছে।’
ধর্ষণের শিকার নারীর সর্বোচ্চ চিকিৎসা এবং আইনি সহযোগিতার নিশ্চয়তার দিয়েছেন তিনি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস, পুলিশ সুপার মো. ইলিয়াছ শরীফ, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী ড. মাহে আলম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ কামাল হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আব্দুর রউফ মণ্ডল, নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. খলিল উল্যা, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.আরিফুল ইসলাম সরদার, স্বাচিপ নোয়াখালীর সভাপতি ডা. ফজলে এলাহী প্রমুখ।








