ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মেহারী ওবায়দিয়া ফাজিল মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রে যান্ত্রিক উপায়ে নকল সরবরাহে সহযোগিতার দায়ে তিন মাদ্রাসা শিক্ষক ও এক ফটোস্ট্যাটের দোকানিকে সাজা দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাসিনা ইসলাম এই সাজা দেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) মেহারী ওবায়দিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষা চলাকালে মাদ্রাসাসংলগ্ন একটি ফটোস্ট্যাট দোকানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জোবাইদা আক্তারের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। এ সময় দোকানদার মহসিন রিফাতকে আটক করে তার ফটোস্ট্যাট মেশিন থেকে ইংরেজি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের উত্তরের কপি উদ্ধার করা হয়।
এ খবর পাওয়ার পর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাসিনা ইসলাম ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এ সময় স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ফটোস্ট্যাট ব্যবসায়ী মহসিন রিফাতকে যান্ত্রিক উপায়ে নকল সরবরাহে সহযোগিতার দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ওই দোকানকে সিলগালা করে ফটোস্ট্যাট মেশিনটিকে জব্দ করা হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মেহারী ওবায়দিয়া ফাজিল মাদরাসার কম্পিউটার ইনস্ট্রাকটর আবদুল কাইয়ুম, একই মাদ্রাসার শিক্ষক নুরুল আমিন ও পাশ্ববর্তী আছমাতুন্নেছা মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষক মো. হাফিজুল ইসলামকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
এছাড়া কর্তব্যে অবহেলার দায়ে মেহারী ওবায়দিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানকে পরীক্ষার কেন্দ্র সচিবের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তার স্থলে চৌবেপুর আলহাজ শাহ আলম দাখিল মাদ্রাসার সুপার আবদুল আউয়ালকে কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়।








