সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এমপি বলেছেন, ‘আমরা সবাই চাই শিক্ষার্থীরা যেন মেধাবী হয়ে ওঠে। জীবনের যুদ্ধে জয়ী হতে গেলে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে জ্ঞান অর্জন করতে হবে। এখন আমাদের দেশে পরীক্ষার্থী বেশি। শিক্ষার্থী কম। সবাই পরীক্ষা নিয়ে ব্যস্ত। কিন্তু আসলে কেউ কিছু শিখছে না। এখন জিপিএ-৫ দিয়ে হয় না। গোল্ডেন জিপিএ-৫ লাগে। আমরা শিক্ষার্থীদের অজান্তেই তাদের লোভ দেখিয়ে দিচ্ছি। গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেতেই হবে। অথচ বইয়ের পাতা সম্পূর্ণ শেষ করেছে কিনা, তাদের জিজ্ঞাসা করলে কোনও সদুত্তর পাওয়া যায় না। ব্যাপারটি হয়তো ছোট। কিন্তু এই ছোট ব্যাপারের কারণেই জীবনে উন্নতি করা সম্ভব হয়ে উঠে না।’
বৃহস্পতিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চিনাইর শিশু মেধা বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃত্তি প্রদান করতে গিয়ে তিনি এই কথা বলেন। আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ‘লেখাপড়া বলতে আমরা কী বুঝি সে বিষয়টা নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে এই বইগুলো শুধু পৃষ্ঠা নয়, এগুলো জীবন গড়ার প্রচেষ্টা।’
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন চিনাইর শিশু মেধা বৃত্তি ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা ও বেসাময়িক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি। সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর আতিকুল ইসলাম।
এ বছর ট্যালেন্ট পুলে ৫৮ জনকে ৩ হাজার টাকা, জেনারেল গ্রেডে ১২৬ জনকে ২ হাজার ৫শ’ টাকা এবং ৫ জনকে উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর নিজস্ব তহবিল থেকে ১২ হাজার টাকা করে বৃত্তি দেওয়া হয়। এছাড়া উপজেলা কোটায় ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বৃত্তি দেওয়া হয়।
গত বছরের ২১ ডিসেম্বর শিশুমেধা বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এই পরিক্ষায় ৮৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। ২০০৪ সাল থেকে চিনাইর শিশু মেধাবৃত্তি পরীক্ষা হয়ে আসছে।








