বাগেরহাটে ধর্ষণের অভিযোগে নাদিম মাহমুদ সৌরভ (২২) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এক কলেজছাত্রীর সঙ্গে কৌশলে সম্পর্ক গড়ে তুলে সৌরভ তাকে ধর্ষণ করেন বলে মামলায় বলা হয়েছে। তবে ওই পুলিশ সদস্যের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করে বলা হয়েছে, ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানোর জন্য এ মামলা করা হয়েছে।
বুধবার (৬ মার্চ) রাতে বাগেরহাট মডেল থানায় ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে নাদিমসহ তিনজনকে আসামি করে এ মামলা দায়ের করেন। বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাতাব উদ্দীন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নাদিম খুলনা জেলা পুলিশে কর্মরত আছেন বলে জানা গেছে। তিনি বাগেরহাট সদর উপজেলার আড়পাড়া গ্রামের আবদুল হালিম মোড়লের ছেলে। মামলায় পুলিশ সদস্যের বাবা আবদুল হালিম মোড়ল ও মা তহমিনা বেগমকেও আসামি করা হয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, নাদিমের সঙ্গে ওই কলেজছাত্রীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ৩ মার্চ রাতে একটি অনুষ্ঠান থেকে একসঙ্গে ফেরার পথে ওই ছাত্রীর বাড়ির পাশের বাগানে তাকে ধর্ষণ করেন নাদিম। পরে ৪ তারিখ বিয়ের দাবিতে নাদিমের বাড়িতে যায় মেয়েটি। সেখানে নাদিমের বাবা-মা তাকে মারধর করে হত্যার উদ্দেশ্যে মুখে বিষ ঢেলে দেন।
ওই পুলিশ সদস্যের বাবা আবদুল হালিম মোড়ল জানান, তাদের মাছের ঘের নিয়ে স্থানীয় একটি পক্ষের সঙ্গে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে। এরই জের ধরে তারা ওই মেয়েটিকে সাজিয়ে তাদের ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।
ওসি মাহাতাব উদ্দীন জানান, এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্তের পর সত্যতা জানা যাবে।







