নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীতে বালুবাহী ট্রলারের ধাক্কায় যাত্রীবাহী একটি ট্রলার ডুবে সঞ্জয় দাস নামে এক ব্যক্তি নিঁখোজ হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ১৫ জন। রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রবিবার রাতে ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ ঘাট থেকে প্রায় ৫০-৫৫ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার কেরানীগঞ্জ ঘাটে যাচ্ছিল। ট্রলারটি নদীর মাঝপথে আসলে সদরঘাট থেকে মেঘনাগামী একটি মাটিবাহী ট্রলার (তাকওয়া) যাত্রীবাহী ট্রলারটিকে ধাক্কা দিলে ট্রলারটি ডুবে যায়। ডুবে যাওয়া ট্রলারের বেশীরভাগ যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হয়। বাকিদের ফায়ার সার্ভিস, নৌ-পুলিশ, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা ও ফতুল্লা থানা পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করে। তবে একজনকে এখন পর্যন্ত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক আরেফিন জানান, নৌকাডুবির ঘটনায় সকল যাত্রীকে উদ্ধার করা হলেও সঞ্জয় দাস নামে একজন নিখোঁজ রয়েছেন। রাত বেশি হয়ে যাওয়ায় এবং ট্রলারটি কোথায় ডুবেছে সেই স্থানটি সঠিকভাবে নির্ধারণ করতে না পারায় রাতের জন্য উদ্ধারকাজ স্থগিত করা হয়েছে। সোমবার সকাল ৭টা থেকে আবার উদ্ধারকাজ শুরু হবে।
নারায়ণগঞ্জের পাগলা নৌ-পুলিশ ফাড়িঁর ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. শামসুর রহমান জানান, ট্রলারডুবির খবর পেয়ে নৌপুলিশ ও সদরঘাট ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা ঘটনাস্থলে উদ্ধার কাজ চালা। ডুবে যাওয়া ট্রলারটিতে প্রায় ৫০ জন বিভিন্ন ইটভাটায় কর্মরত শ্রমিক ছিলো। ট্রলারটিতে নারী ও শিশু যারা ছিলো তারা সবাই উদ্ধার হয়েছে। তবে একজন নিখোঁজ রয়েছে। যেই ট্রলারটি ধাক্কা দিয়েছে সেটি আটক করা হয়েছে।








