আগামীকাল রবিবার (৩১ মার্চ) ফেনীর ছয়টি উপজেলার মধ্যে চারটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে সদর উপজেলার ১২৭টি ভোটকেন্দ্রের সবগুলোতে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ করা হবে। এখানে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
ফেনীর পুলিশ সুপার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘প্রতিটি ইউনিয়নে পুলিশের দুটি করে মোবাইল টিম থাকবে। প্রতিটি কেন্দ্রে কমপক্ষে দুজন বা চারজন পুলিশ সদস্য ও ১২ জন আনসার সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। এছাড়া প্রতি থানায় একটি স্ট্রাইক টিম থাকবে। পুলিশের টিমের পাশাপাশি জেলায় ২০ প্লাটুন বিজিবি থাকবে।’
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পিকে এনামুল করিম বলেন, ‘সুষ্ঠু, সুন্দর, অবাধ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে আমরা ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছি। সদর উপজেলার ১২৭টি ভোটকেন্দ্রের সবগুলোতে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ করা হবে।’
ফেনীর বিজিবি লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাহিদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাত থেকে বিজিবি সদস্যরা মাঠে নেমেছেন। স্টাইকিং ফোর্স হিসেবে তারা শনিবার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করছে। নির্বাচন শেষ হওয়ার দু’দিন পর পর্যন্ত এ পর্যবেক্ষণ চলবে।’
জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলা ব্যতীত ফেনী সদর,দাগনভূঞা,সোনাগাজী,পরশুরাম ও ফুলগাজীতে সর্বমোট ২০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। গত শুক্রবার সকাল থেকে ভোটকেন্দ্রের আশপাশে তাদের স্ট্যাইকিং ফোর্স হিসেবে ঘুরতে দেখা গেছে।
উল্লেখ্য, ফেনী সদরে চেয়ারম্যান পদে, দাগনভূঞা ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) ভাইস চেয়ারম্যান মহিলা পদে, সোনাগাজীতে ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে,ফুলগাজীতে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সোনাগাজী, দাগনভূঞা ও পরশুরাম উপজেলার চেয়ারম্যানরা নির্বাচিত হন। ফেনী সদর ও পরশুরাম উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। এছাড়া ছাগলানাইয়া উপজেলা নির্বাচন আদালতের নিষেধজ্ঞার কারণে বন্ধ রয়েছে।








