ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ আঘাত হানার আশঙ্কা এবং পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় বুধবার (১ মে) বিকালে মোংলা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জরুরি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জরুরি সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার সরকারি কর্মকর্তাদের সতর্কাবস্থায় থেকে শতভাগ প্রস্তুতি গ্রহণ ও তা বাস্তবায়নের নিদের্শনা দেন। সতর্কতা সংকেত ৪ ছাড়িয়ে গেলে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মোংলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রবিউল ইসলাম। মোংলার ৭৮টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো মাইকিং করে জনগণকে সতর্ক করা হচ্ছে বলে স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার নির্দেশ দিয়েছেন, সব আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখার পাশাপাশি সেগুলোর চাবি দায়িত্বশীল লোকদের কাছে রাখতে হবে। যাতে সময় মতো আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয় এবং মানুষ সঠিকভাবে সেখানে উঠতে পারে। এছাড়া প্রত্যেক মসজিদের মাইকে সতর্কতা বার্তা প্রচারের জন্য ইমাম ও সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব দেন তিনি।
এদিকে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জীবিতেষ বিশ্বাসের নেতৃত্বে গঠিত একটি মেডিক্যাল টিমও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উপজেলা কন্ট্রোল রুমের সার্বক্ষণিক দায়িত্বে থাকছেন উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. নাহিদুজ্জামান।
ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বনবিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান। তিনি জানান, বনপ্রহীদের ব্যবহৃত অস্ত্র-গুলি নিয়ে নিরাপদে থাকতে বলা হয়েছে। যে সব দর্শনার্থী এখনও বিভিন্ন নৌযানে করে বনের ভেতরে অবস্থান করছে তাদেরও নিরাপদে সরিয়ে দিতে বনপ্রহরীদের নিদের্শ দেওয়া হয়েছে।








