ঝালকাঠিতে ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে সুগন্ধা ও বিষখালী নদীতে স্বাভাবিকের চেয়ে তিন থেকে চার ফুট পানি বেড়ে যাওয়ায় নিম্নাঞ্চলের প্রায় ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানির চাপে কয়েকটি স্থানে বিষখালীর বেড়িবাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এছাড়া কাঁঠালিয়ার আমুয়া বেড়িবাঁধ ভেঙে পানি ঢুকেছে। তলিয়ে গেছে আমুয়া ফেরিঘাট।
দুর্ঘটনা এড়াতে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুকনো খাবার মজুত করা হয়েছে। মসজিদে মসজিদে মাইকিং করে সবাইকে সতর্ক করে নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে।
শুক্রবার (৩ মে) গভীর রাত থেকে থেমে থেমে ধমকা হাওয়া ও ঝড়ো বৃষ্টিতে অর্ধশত কাঁচাঘরবাড়ি, গাছপালা ও রবিশস্যের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘূর্ণিঝড় ফণী মোকাবিলায় জেলায় ৭৩টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হলেও নদী তীরবর্তী কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্রে কিছু মানুষ আশ্রয় নিলেও অধিকাংশ আশ্রয়কেন্দ্রই ফাঁকা রয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। আশ্রয়কেন্দ্রে মানুষ যেতে অনীহা প্রকাশ করছে। রাস্তাঘাট জনশূন্য লক্ষ করা গেছে।








