রাজা সীতারাম রায়ের স্মৃতিচিহ্ন বিজড়িত ৩০০ বছরের প্রাচীন সেই পালঙ্কটি যাচাই করার জন্য মাগুরা থেকে খুলনায় নিয়ে প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের সংরক্ষণে রাখা হয়েছে। সোমবার (৩ জুন) বিকাল ৪টায় এটি খুলনায় নিয়ে আসা হয়। প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের আঞ্চলিক পরিচালক আফরোজা খান মিতা বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পালঙ্কটিতে মাগুরার জেলা প্রশাসক (ডিসি) ঘুমান বলে সম্প্রতি সংবাদ প্রকাশিত হলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
এর আগে মাগুরা জেলা প্রশাসনের নেজারত, ট্রেজারি এবং রেকর্ডরুমের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গিয়েছিল, গত ২ ফেব্রুয়ারি রাজা সীতারামের সেই পালঙ্কটি মাগুরার এনডিসি রাজিব চৌধুরীর সহায়তায় জেলা প্রশাসকের বাসভবনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
পালঙ্কটি খুলনায় নিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে আফরোজা খান মিতা বলেন, ‘গত ৩০ মে মাগুরা জেলা প্রশাসকের একটি পত্র প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের ঢাকা অফিসে পাঠানো হয়। ঢাকা থেকে ওই পত্রটি খুলনায় পাঠিয়ে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করাসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে পালঙ্কটি অধিদফতরের খুলনা অফিসের আওতায় আনা হয়। এখন প্যাকিং অবস্থায় স্টোরে রাখা হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, এখন সংশ্লিষ্টরা পালঙ্কটির বিষয়ে যাচাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
প্রসঙ্গত, ‘রাজা সীতারাম রায়ের স্মৃতিচিহ্ন ও ৩০০ বছরের প্রাচীন একটি পালঙ্কে ঘুমান মাগুরার জেলা প্রশাসক’– বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এমন খবরে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। পরে এ খবরকে মিথ্যা দাবি করে জেলা প্রশাসক আলী আকবর বলেছিলেন, তিনি রাজার পালঙ্কে নয়, ফ্লোরে ঘুমান।
আরও পড়ুন: রাজার পালঙ্কে নয়, আমি ফ্লোরে ঘুমাই: মাগুরার ডিসি








