মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, রোহিঙ্গারা যাতে সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে নিজ দেশে ফিরতে পারেন, সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। রবিবার (৯ জুন) দুপুরে কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্প-২ পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় রোহিঙ্গা নেতারা মন্ত্রীকে তাদের ক্যাম্পের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। সেখানে খাওয়া, থাকা ও চিকিৎসাসহ উন্নত পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে।’ রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায় সেখানে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় রোহিঙ্গা নেতারা ক্যাম্পের চিকিৎসা ও শিক্ষার অভাব এবং রাত্রিকালীন নিরাপত্তাহীনতার কথা তুলে ধরেন। তারা এনজিওগুলোর কাজেরও সমালোচনা করেন। তাদের কথা শোনার পর মন্ত্রী সমস্যা সমাধান এবং দুর্ভোগের কথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জানানোর আশ্বাস দেন।
আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস’র চেয়ারম্যান মুহিব উল্লাহ বলেন, ‘মিয়ানমার সরকার আমাদের রোহিঙ্গা বলেও ডাকে না। কীভাবে সেখানে যাবো? তাছাড়া আশিয়ান দুই বছরে পাঁচ লাখ রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়ার যে কথা বলছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। চলাফেরার স্বাধীনতা, জমি-জমা ও শিক্ষার ব্যবস্থা না করলে রোহিঙ্গারা কখনও ফিরে যাবে না।’
এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন—শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালাম, উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নিকারুজ্জামান চৌধুরী, সহকারী পুলিশ সুপার (উখিয়া সার্কেল) নিহাদ আদনান তাইয়ান, উখিয়া এক্সটেনশন ওয়েস্ট ক্যাম্পের দায়িত্বে থাকা (উপসচিব) শামীমুল হক পাভেল, কুতুপালং ক্যাম্প ইনচার্জ রেজাউল করিম প্রমুখ।








