ঈদের ছুটি শেষে রাজধানীমুখী মানুষের স্রোত নেমেছে মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌরুটে। ২০টি ফেরি, ৮৭টি লঞ্চ ও তিন শতাধিক স্পিডবোটে সার্বক্ষণিক যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। এই সুযোগে লঞ্চ ও স্পিডবোট মালিকরা অতিরিক্ত যাত্রী বহন ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ঢাকাগামী যাত্রী সানোয়ার মাতুব্বর বলেন, ‘লঞ্চ ও স্পিডবোট উভয় স্থানেই অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছে। লঞ্চে কম। কিন্তু কিছু স্পিডবোটে ভাড়া সাধারণ সময়ের চেয়ে বেশি। পুলিশ প্রশাসন ঘাটের অতিরিক্ত চাপ সামাল দিতেই ব্যস্ত। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের ব্যাপারে তাদের কোনও কার্যকরী পদক্ষেপ নেই।’
অনেকটা অসহায় হয়ে স্পিডবোটে ১৫০টাকার ভাড়া বাধ্য হয়ে যাত্রীরা দিচ্ছেন ২০০ টাকা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তেমন কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।
এ বিষয়ে কাঁঠালবাড়ি ঘাটের বোট মালিক সমিতির সদস্য রাসেল হোসেন বলেন, ‘ঈদের সময় এক দিক থেকে যাত্রী বেশি যায়, অন্যদিক থেকে স্পিডবোট খালি আসে। যে কারণে আমাদের তেল খরচের জন্য যাত্রীদের কাছ থেকে কিছু অতিরিক্ত ভাড়া নিতে হয়। তবে এমন চাপ দেওয়া হয় না যাতে যাত্রীদের সমস্যা হয়।’
তবে ঘাটে দায়িত্বরত শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানান, ‘লঞ্চ ও স্পিডবোটে বাড়তি ভাড়া এবং অতিরিক্ত যাত্রী বহনের ব্যাপারে সতর্ক অবস্থায় রয়েছে প্রশাসন। এজন্য জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের একাধিক টিমও সার্বক্ষণিক কাজ করছে।’ তিনি জানান, রবিবার অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে এমভি তানভীর নামের একটি লঞ্চকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।








