মেহেরপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে পাঁচ পুলিশ সদস্যসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ সোমবার (১০ জুন) মেহেরপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালতে মামলাটি দায়ের করেন গাংনী উপজেলার করমদী গ্রামের আব্দুল হান্নান। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর কুষ্টিয়া শাখাকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে পুলিশের দাবি, বাদী আব্দুল হান্নান মাদক ব্যবসায়ী। মাদকসহ গ্রেফতার করায় ক্ষোভ থেকে তিনি এই মামলা করেছেন।
বাদী আব্দুল হান্নান করমদী গ্রামের মৃত আপেল উদ্দীনের ছেলে।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেহেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুস্তাফিজুর রহমান। মামলার বাদী ও আদালত সূত্র জানায়, গত ২০১৮ সালের ২০ নভেম্বর ১০ লাখ টাকা চাঁদা চাওয়ার অভিযোগ তুলে তৎকালিন বামুন্দী পুলিশ ক্যাম্পের এসআই মকবুল হোসেন, এএসআই এনামুল, রিজার্ভ অফিসার (আরও-১) মোস্তাক আহমেদ, কনস্টেবল পান্না শিকদার ও গোপাল চন্দ্রসহ স্থানীয় ১২ জনের বিরুদ্ধে মেহেরপুর আদালতে একটি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়েছে। মেহেরপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালতের বিচারক শাহিন রেজা মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআই কুষ্টিয়াকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাড. আব্দুল মতিনও এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বাকি আসামিরা হলেন- করমদি গ্রামের মৃত আ. কুদ্দুসের ছেলে মাগরিব, আনারুল মেকারের ছেলে শরিফুল, আমির কসাইর ছেলে সাহারুল, জামরুলের ছেলে টিপু, আয়ুবের ছেলে আবেদ, শরিফুলের স্ত্রী স্বপ্না, মৃত ফইমদ্দিনের ছেলে আনার মেকার।
তবে পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান দাবি করেন, ‘আব্দুল হান্নান একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তার নামে থানায় তিনটি মাদক মামলা রয়েছে। হাজতবাস শেষে সম্প্রতি সে জামিনে মুক্তি পেয়েছে। পুলিশের ওপর ক্ষোভ থেকেই সে এ মামলা করেছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে।’
উল্লেখ্য, গত বছর ২০ নভেম্বর ভোর রাতে গাংনী উপজেলার করমদি খুশির বিল কবরস্থানের পাশ থেকে একটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুর্টারগান ও চার কেজি গাঁজাসহ আব্দুল হান্নানকে আটক করে পুলিশ। সেই সময় ঘটনাটি সাজানো বলে দাবি করেছিলের হান্নানের পরিবারের সদস্যরা।








