বাজেট নিয়ে দেশজুড়ে চায়ের টেবিলে ঝড় উঠলেও দিনাজপুরের কৃষকদের মধ্যে কোনও আগ্রহ নেই। বরং ধানের দাম বাড়ানোর ব্যাপারেই তাদের যতো দুঃশ্চিন্তা।
শুক্রবার (১৪ জুন) গোপালগঞ্জ হাটে ধান বিক্রি করতে আসা কৃষকরা জানালেন, বাজারে ধানের দাম নেই। আগের মতোই এখনও পানির দামে ধান বিক্রি করতে হচ্ছে।
সরেজমিনে জানা যায়, বিআর-৫৮ ধান প্রতিবস্তা (৭৫ কেজি) ৮৫০ টাকা থেকে ৯৫০ টাকা দরে এবং বিআর-২৮ ধান বিক্রি হয়েছে ১২শ’ থেকে ১৩শ’ টাকা দরে। এই দামে ধান বিক্রি করে আসল তো দূরে থাক, কৃষকদের উৎপাদন খরচই আসছে না। প্রতিবিঘায় লোকসান গুনতে হচ্ছে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা। এজন্য বাজেটে উৎপাদিত কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের দাবি জানান কৃষকরা।
দিনাজপুরের চেহেলগাজী কৃষক কল্যাণ সমিতির সভাপতি আজিজুল ইসলাম জানান, কৃষি যন্ত্রপাতির ভর্তুকি আগে থেকেই আছে। এবারের বাজেটে ফসলের বীমার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু ফসলের ন্যায্যমূল্য না থাকলে বীমা দিয়ে কী হবে? বাজেটে তিনি সার, বীজ, কীটনাশকসহ কৃষি উপকরনের দাম কমানোর দাবি জানান।
বাংলাদেশ কৃষক সমিতি দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি বদিউজ্জামান বাদল জানান, সংসদে ঘোষিত বাজেট কৃষকদের কোনও উপকারে আসবে না। কারণ কৃষকরা এবার ধানের দাম পায়নি, ধান আবাদ করে এবার চরম লোকসান গুনতে হয়েছে। এই লোকসান কাটিয়ে উঠতে এই বাজেটে আলাদা করে কৃষকদের ভর্তুকি দেওয়া প্রয়োজন ছিল।
তিনি আরও বলেন, ‘কৃষিপ্রধান এই বাংলাদেশের উন্নয়ন করতে হলে কৃষি অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে হবে। আর এজন্য আগে কৃষকদের বাঁচাতে হবে।’








