লালমনিরহাট বিভাগীয় রেলওয়ে দফতরের সংস্থাপন শাখার সহকারী পারভেজ আক্তার টপিসহ তিন ব্যক্তিকে বিদেশি চায়না পিস্তলসহ গ্রেফতার করেছে সদর থানা পুলিশ।
শহরের বালাটারী বিএনপি কলোনি এলাকা থেকে শুক্রবার (২১ জুন) ভোরে সদর থানা পুলিশ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে সদর থানার এসআই মাইনুল ইসলাম বাদী হয়ে পারভেজসহ তিন জনের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করেন।
গ্রেফতার অপর দুজন হলেন বালাটারী বিএনপি কলোনি এলাকার বাসিন্দা মুরাদ হোসেন আনন্দ (২২) ও শহিদুল ইসলাম (২২)।
লালমনিরহাট সদর থানার ওসি মাহফুজ আলম এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের লালমনিরহাট বিভাগীয় সদর দফতরের সংস্থাপন শাখার ডিভিশনাল পার্সোনেল অফিসার মো. আব্দুর রহমান বলেন, ‘শুক্রবার (২১-জুন) ফজরের নামাজের পর উচ্চমান সহকারী পারভেজ আক্তার টপিকে আটকের খবর পেয়ে ওসি মাহফুজ আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তিনি আমাকে জানান, পিস্তল উদ্ধারের ঘটনায় অস্ত্র আইনে পারভেজসহ তিন জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।’
লালমনিরহাট সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এরশাদুল আলম বলেন, ‘আসামিদের মধ্যে পারভেজ আক্তার টপি ও শহিদুল ইসলামকে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অপর আসামি মুরাদ হোসেন আনন্দের বিষয়ে পরে জানানো হবে।’
উল্লেখ্য, টপির বিরুদ্ধে এর আগেও অস্ত্র প্রদর্শন করে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে মামলা রয়েছে। ২০১৪ সালের ২৭ জুলাই লালমনিরহাট বিভাগীয় রেলওয়ের সদর দফতরের সাংকেতিক শাখার উচ্চমান সহকারী গোলাম কিবরিয়া স্থানীয় স্টোরপাড়া জামে মসজিদে নামাজ শেষে সুরকিমিল এলাকায় বাসায় ফেরার পথে তার মাথায় পিস্তল ঠেকায় টপি। এই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন উচ্চমান সহকারী গোলাম কিবরিয়ার স্ত্রী নাসরীন কিবরিয়া। এই অভিযোগে টপিকে একই বছরের ১ জুলাই লালমনিরহাট রেলওয়ে শ্রমিকলীগ কমিটির যুগ্ম সম্পাদকের পদ থেকেও বহিষ্কার করা হয়।








