এক্স-রে পরীক্ষার বিল নির্ধারিত মূল্যের বেশি রাখায় বরিশাল নগরীর সদর রোড়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টার বেলভিউ মেডিক্যাল সার্ভিসেস লিমিটেডকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুলাই) বিকেলে শুনানি শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের কর্মকর্তা এ জরিমানা করেন। জরিমানার ২৫ ভাগ অর্থ (পাঁচ হাজার টাকা) অভিযোগকারী কলেজছাত্রী উন্মে মারজান ছোয়াকে দেওয়া হয়।
অভিযোগকারী কলেজছাত্রীর বাবা নাজমুল হক সেলিম জানান, গত মাসে শ্বাসকষ্টজনিত রোগে চিকিৎসক সিদ্দিকুর রহমানের শরণাপন্ন হলে তিনি তার মেয়ে ছোয়াকে বেলভিউ থেকে এক্স-রে করতে বলেন। গত ১৬ জুন বেলভিউ থেকে এক্স-রে করলে বিল রাখা হয় সাড়ে চারশ’ টাকা। পরবর্তীতে চিকিৎসকের পরামর্শে ২৪ জুন একই এক্স-রে নগরীর মেডিনোভা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে করলে সেখানে বিল নেওয়া হয় সাড়ে তিনশ’ টাকা। এ ঘটনায় গত ২৫ জুন, ভুক্তভোগী বরিশাল ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরে লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগ করায় গত ৩০ জুন, বেলভিউ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এক কর্মকর্তা মুঠোফোনে অভিযোগকারীকে হুমকি দেন। হুমকির বিষয়টিও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরকে জানানো হয়। মঙ্গলবার অভিযোগকারী এবং অভিযুক্ত ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এক কর্মকর্তার উপস্থিতিতে শুনানি করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের কর্মকর্তা।
বরিশাল ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মো. শাহ্ শোয়াইব মিয়া জানান, ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিল সব প্রতিষ্ঠানেই এক রেট হওয়ার কথা। শুনানিতে বিভিন্ন তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে অতিরিক্ত বিল নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বেলভিউ মেড়িক্যাল সার্ভিসেস লিমিটেডকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। বেলভিউ-এর পক্ষে প্রতিষ্ঠানের পরিচালক লিয়াকত আলী লিকু শুনানিতে উপস্থিত থেকে জরিমানার টাকা পরিশোধ করেন। আইন অনুযায়ী, অভিযোগকারী ভোক্তাকে জরিমানার ২৫ ভাগ অর্থ হিসেবে পাঁচ হাজার টাকা নগদ প্রদান করা হয়। বেলভিউ মেডিক্যাল সার্ভিসেস লিমিটেডের চেয়ারম্যান হচ্ছেন কাজী মফিজুল ইসলাম কামাল।








