পূর্ণিমা আর দক্ষিণ-পূর্ব কোণের একটানা বাতাসের প্রভাবে সৃষ্ট জোয়ারে চরফ্যাশনের ঢালচর ইউনিয়নের ৮টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ডুবে গেছে রাস্তাঘাট, হাটবাজার, স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসা ও বসতঘর। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার মানুষ। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, জোয়ারের পানিতে ঢালচরের কয়েকটি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জানা যায়, শুক্রবার দুপুরের পর থেকে জোয়ারের পানি বাড়তে থাকে। তবে পানি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
রবিবার (৭ জুলাই) স্থানীয় বাসিন্দা মনজু খন্দকার জানান, প্রতি বছর এই সময়ে জোয়ারের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয়ে থাকে। কিন্তু এ বছর দক্ষিণ-পূর্ব কোণের বাতাসের দাপট থাকায় স্বাভাবিকের চেয়ে উচ্চমাত্রার জোয়ারে প্লাবিত হয়েছে পুরো ঢালচর। পানির তোড়ে গ্রামের কাঁচা রাস্তাগুলো ভেসে গেছে। ভেসে গেছে পুকুরের মাছ। ডুবে গেছে ভিটা, ফসলের ক্ষেত, হাটবাজার ও রাস্তাঘাট। দক্ষিণ উপকূলের ঢালচর বাগান থেকে শতাধিক মহিষ জোয়ারের পানিতে সাগরে ভেসে গেছে।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল সালাম হাওলাদার জানান, গত শুক্রবার থেকে জোয়ারের পানিতে বাড়িঘর ডুবে গেছে, রাস্তাঘাটের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। স্কুল মাদ্রাসায় ক্লাস বন্ধ রয়েছে। এখনও জোয়ারের পানি ওঠানামা করছে।
চরফ্যাশন উপজেলার নির্বাহী অফিসার মো. রুহুল আমিন জানান, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকায় প্লাবিত এলাকার খোঁজ-খবর নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে যোগাযোগের চেষ্টা অব্যাহত আছে।
ভোলার পানি উন্নয়ন বিভাগ-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী কাইসার আলম জানান, স্বাভাবিকের চেয়ে ৫-৬ ফুট উচ্চতার জোয়ারের পানিতে ঢালচরের কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বেড়িবাঁধ না থাকায় উপজেলার ঢালচরের মেঘনা পাড়ের মানুষ চরম ঝুঁকির মধ্যে আছেন।








