বগুড়ার শেরপুরে স্ত্রী পূর্ণিমা রানীকে (২৮) হত্যার পর লাশ হাসপাতালে নিয়ে আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার অভিযোগে গৌতম কুমার (৩৫) নামে এক গ্রামপুলিশকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার রাতে শেরপুর থানা পুলিশ তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল থেকে গ্রেফতার করে ও নিহতের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) বিকালে এ ব্যাপারে হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছিল।
শেরপুর থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, শেরপুর উপজেলার বিশালপুর ইউনিয়নের সিরাজনগর নয়লাপাড়া গ্রামের বুধন চন্দ্র রায়ের ছেলে গ্রামপুলিশ গৌতম কুমার দেড় বছর আগে পার্শ্ববর্তী সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ধামাইনগর ইউনিয়নের কুমরপুর গ্রামের পূর্ণিমা রানীকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে তাদের দাম্পত্য কলহ চলছিল। বুধবার বিকালে ভাত দেওয়া নিয়ে ঝগড়া হলে গৌতম তার স্ত্রী পূর্ণিমাকে মারপিট করে ঘরে তালা দিয়ে বাজারে যান। সন্ধ্যার দিকে বাজার থেকে ফিরে স্ত্রীকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। এরপর একে আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দিতে লাশ ঘরের তীরের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেন। পরে পূর্ণিমাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। গৌতম চিকিৎসককে জানান, তার স্ত্রী পূর্ণিমা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
ওসি হুমায়ুন কবির আরও জানান, হাসপাতাল থেকে গ্রামপুলিশ গৌতমকে গ্রেফতার করে থানায় আনা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বলেছেন, মারপিট করায় স্ত্রী পুর্ণিমা মারা যায়। এরপর লাশ ঝুলিয়ে দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রচার করেন।








