জয়পুরহাটে রিতু পাল (১৩) নামে অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর মরদেহ পাঁচবিবি এলাকার ছোট যমুনা নদী থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর সোমবার রাত ১০টার দিকে ওই স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট সদর থানার ওসি সিদ্দিকুর রহমান।
পুলিশ ও স্কুলছাত্রীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, জয়পুরহাট সদর থানার সদর উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী রিতু পাল সোমবার সকাল ৯টার দিকে স্কুলে যাওয়ার জন্য শহরের সবুজনগর মহল্লার বাসা থেকে বের হয়। এরপর সে আর বাড়ি ফেরেনি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর না পেয়ে রিতুর বাবা বিশ্বজিৎ পাল জয়পুরহাট সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে রাত ১০টার দিকে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার পৌরভবনের পেছনের শ্মশানঘাটি এলাকার ছোট যমুনা নদী থেকে পুলিশ তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত রিতুর বাবা বিশ্বজিৎ পাল বলেন, রিতু পোশাক পরে গতকাল সকাল ৯টার দিকে স্কুলে যায়। পৌনে ১০টার দিকে অসুস্থতার জন্য সহপাঠীদের বাড়ি যাওয়ার কথা বলে স্কুল থেকে বেরিয়ে যায়। এরপর আর তাকে পাওয়া যায়নি। ১২ ঘণ্টা পর পুলিশ ছোট যমুনা নদীর শ্মশানঘাট এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে। পরিকল্পিতভাবে মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে তিনি এই ঘটনার বিচার দাবি করেছেন।
জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘স্কুলছাত্রী রিতুর ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে এ হত্যাকাণ্ডের সঠিক কারণ জানা যায়নি। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলেই বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া যাবে।’








