যানবাহনের চাপ থাকলেও যানজট নেই গাজীপুর দিয়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে। কোনও কোনও পয়েন্টে গাড়ি ধীরে চললেও এখন পর্যন্ত বড় কোনো জটের সৃষ্টি হয়নি। তবে বিভিন্ন পরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা। ঈদ বকশিশের নামে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
কোনাবাড়ী হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান জানান, ‘ অন্যান্য বছর ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কোনাবাড়ী ও চন্দ্রা ত্রিমোড় এবং ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকার যানজটের বিড়ম্বনা ঈদ আনন্দকেই মাটি করে দিতো। তবে কোনাবাড়ী ও চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় উড়ালসড়ক নির্মিত হওয়ায় পরিস্থিতি পাল্টে গেছে। এখন অনেকটাই নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরছেন মানুষ। মহাসড়কে আগের মতো আর যানজট নেই। কোনাবাড়ী উড়াল সড়ক চালু হওয়ায় এবং জয়দেবপুর থেকে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা পর্যন্ত চার লেন সড়ক খুলে দেওয়ায় উত্তরাঞ্চলের চালক ও যাত্রীদের দুর্ভোগ কমে গেছে।’
জয়দেপুরের চান্দনা চৌরাস্তায় কথা হয় পোশাক কারখানার শ্রমিক কল্যাণ কর্মকর্তা (ওয়েলফেয়ার অফিসার) আমরিনা হকের সঙ্গে। তিনি জানান, বেলা ১১টায় টঙ্গীর চেরাগ আলী থেকে ময়মনসিংহ বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। যেখানে চান্দনা চৌরাস্তা পর্যন্ত আসতে সময় লাগতো এক থেকে দেড় ঘণ্টা, আজ শুক্রবার আধা ঘণ্টায় চান্দনা আসতে পেরেছেন।
টঙ্গীর পুষমি সোয়েটার কারখানার লিংকিং অপারেটর জাহাঙ্গীর আলম জানান, রাস্তা ফাঁকা। তবে অনেক বাসেই ঈদ বকশিশের নামে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে হেলপাররা।
মাওনা হাইওয়ে ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) সূজন পন্ডিত জানান, ‘ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের নাওজোড়, মাস্টারবাড়ী এলাকা ছিল যানজট প্রবণ। প্রতি বছর ঈদযাত্রায় এসব স্থানের যানজট ঘরমুখো যাত্রীদের জন্য ছিল অভিশাপ। এ সড়ক দিয়ে ময়মনসিংহসহ ছয় জেলার লোকজন চলাচল করে থাকে। যানজট না থাকায় এবার যাত্রীরা নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরছেন।’
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে এ ধরনের কোনও অভিযোগ কেউ করেনি। যদি পাওয়া যায় তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’








