রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ক্রপ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগে নতুন করে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক নিয়োগের বিরুদ্ধে রুল জারি করেছেন উচ্চ আদালত। একই সঙ্গে নতুন বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক নিয়োগ কেন অবৈধ হবে না সে বিষয়ে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলেছেন উচ্চ আদালত। রিটে রাবি উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, কৃষি অনুষদের ডিন, ক্রপ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ও প্ল্যানিং কমিটির সভাপতিকে বিবাদী করা হয়েছে।
বুধবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে এ সংক্রান্ত একটি কপি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের হাতে আসে। উচ্চ আদালতের বিচারক শেখ হাসান আরিফ ও মো. বদরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ গত বুধবার (২১ আগস্ট) এ আদেশ দেন। নতুন নীতিমালায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আলী আসগরের করা রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালত এ আদেশ দেন।
এ বিষয়ে বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘প্ল্যানিং কমিটি নির্ধারিত বিভাগগুলোর সঙ্গে এগ্রিকালচারাল কেমিস্ট্রি বিভাগ যুক্ত করাটা অযৌক্তিক। উল্লিখিত বিভাগগুলোর সঙ্গে এগ্রিকালচারাল কেমিস্ট্রি বিভাগটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।’
জানা গেছে, ২০১৬ সালের নভেম্বরে ক্রপ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের তিনটি শূন্য পদের বিপরীতে শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সেখানে প্ল্যানিং কমিটি প্রভাষক পদে প্ল্যান্ট প্যাথলজি, জেনেটিক্স অ্যান্ড প্ল্যান্ট ব্রিডিং ও এগ্রোনমি/এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন থেকে পাস করা শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন বলে উল্লেখ করে। কিন্তু পরে ওই বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক নিয়োগ না করে চলতি বছরের ৩০ জুলাই নতুন করে এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কিন্তু প্ল্যানিং কমিটিকে না জানিয়েই প্রভাষক পদে আবেদনের জন্য উল্লিখিত বিভাগগুলোর সঙ্গে এগ্রিকালচারাল কেমিস্ট্রি বিভাগ যুক্ত করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এ নিয়ে বিভাগের শিক্ষকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়।
প্ল্যানিং কমিটির সদস্য ও উচ্চ আদালতে রিট আবেদনকারী অধ্যাপক মু. আলী আসগর বলেন, ‘স্থায়ী পদে শিক্ষক নিয়োগ দিতে হলে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্ল্যানিং কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সিন্ডিকেট নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন। কিন্তু প্ল্যানিং কমিটিকে না জানিয়েই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এগ্রিকালচারাল কেমিস্ট্রি বিভাগ যুক্ত করেছেন।’








