রাজশাহী জেলা প্রশাসকের মোবাইল ফোন নম্বর ক্লোন করে বাগমারা উপজেলার চেয়ারম্যানের কাছে চাঁদা দাবি করা হয়েছে। রবিবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রকল্প দেওয়ার নাম করে এক লাখ টাকা চাওয়া হয়। এছাড়া গোদাগাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছেও একই পরিমাণ টাকা চাঁদা দাবি করেছে প্রতারকরা।
এসব ঘটনা শোনার পর সবাইকে সতর্ক করেছেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক হামিদুল হক। তিনি তার ফেসবুকে পাতায় লেখেন, ‘জেলা প্রশাসকের রাজশাহী অফিসের ফোন নম্বর ক্লোন করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ফোন করে অন্যায় আবদার করা হচ্ছে। সবাইকে সতর্ক থাকতে অনুরোধ করছি।’
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা চেয়ারম্যান অনিল কুমার সরকার বলেন, ‘রবিবার দুপুর ১২টার দিকে আমার মোবাইল ফোনে জেলা প্রশাসকের নম্বর থেকে ফোন আসে। সেই নম্বর থেকে টাকা পাঠানোর জন্য আমাকে এই ০১৮৩০-৬৮৫০৬৮ নম্বরটি দেওয়া হয়। আমাকে ফোনে বলা হয়, “আপনার ভাগ্য ভালো। আপনার জন্য একটা সুখবর আছে। আপনার জন্য ৫০ মেট্রিক টন টিআর এবং ৫০ মেট্রিক টন কাবিখার চাল বরাদ্দ দেওয়া হবে। আপনি দ্রুত আমার ব্যক্তিগত নম্বরে এক লাখ টাকা পাঠান।” ’
অনিল কুমার আরও বলেন, ‘টাকা চাওয়ার পর বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানাই। তিনি তখনই বিষয়টি রাজশাহী জেলা প্রশাসককে জানান।’
তিনি বলেন, ‘যারা ডিসির ফোন নম্বর ক্লোন করে এ রকম কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।’
এদিকে জেলা প্রশাসকের নম্বর ক্লোন করে গোদাগাড়ী উপজেলার চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের কাছেও ৫০ মণ চালের বিপরীতে চাঁদা হিসেবে দাবি করা হয়েছে। দুর্বৃত্তরা প্রতি মণ চালের বিপরীতে ২ হাজার টাকা ধরে এক লাখ টাকা দাবি করেছে। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসক জিডি করেছেন রাজপাড়া থানায়। তিনি নিজেই গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
এর আগে একইভাবে রাজশাহীর তানোর, পুঠিয়া, বাঘা ও চারঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নম্বর ক্লোন করে চাঁদা দাবি করা হয়।








