খুলনার ময়ূর নদীসহ ২৬ খাল দখলমুক্ত অভিযান অভ্যাহত রেখেছে খুলনা সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসন। গত ৪৫ দিনে বহুতল ভবনসহ ১২৭টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। ১ সেপ্টেম্বর এ অভিযান শুরু হয়। ময়ূর নদীর বুড়ো মৌলভীর দরগা এলাকা থেকে শুরু হওয়া অভিযান এখন চলছে খুদে নদীর দেয়ানা আড়ংঘাটা এলাকায়।
কেসিসির অ্যাস্টেট অফিসার নূরুজ্জামান তালুকদার জানান,১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া অভিযান এখনও চলছে। মাঝে শারদীয় দুর্গোৎসবের কারণে এক সপ্তাহ অভিযান বন্ধ ছিল। পূজা শেষে রবিবার (১২ অক্টোবর) থেকে ফের অভিযান শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত ১২৭টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। ময়ূর ও খুদে নদী ছাড়া ক্ষেত্রখালী, লাউড়ি, ছড়ি, লবণচরা দ্বিতীয় স্লুইচ গেট ও খোলা বাড়িয়া খাল দখলমুক্ত করা হয়েছে। ময়ূর নদীসহ ২৬ খাল দখল করে গড়ে ওঠা ৩৮২টি তালিকাভুক্ত অবৈধ স্থাপনা।
কেসিসি’র সূত্রে জানা গেছে,ময়ূর নদী ও ২৬টি খালে যৌথ জরিপ চালায় জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে সরকারের চারটি সংস্থা। এর মধ্যে সেখানে ৪৬০ জন দখলদারের তালিকা তৈরি করা হয়। নদী ও খাল দখল করে তৈরি অবৈধ স্থাপনার সংখ্যা ৩৮২টি। এর মধ্যে ময়ূর নদে ৭৯ জন ব্যক্তি ৬৩টি অবৈধ স্থাপনা তৈরি করেছেন বলে জরিপে উঠে আসে। মহানগরীসহ আশপাশের খাল ও নদী বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করে দুই পাড় দখল করা হয়েছে। ফলে বর্ষা মৌসুমে পানি বাধাগ্রস্ত হয়ে ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। সামান্য বৃষ্টিতে তলিয়ে যায় সড়ক ও ঘরবাড়ি-ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। অন্যদিকে পানি জমে থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সড়ক। যে কারণে ময়ূর নদী ও ২৬টি খাল দখলমুক্ত করতে এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হয়েছে। এর আগে ময়ূর নদী ও সংলগ্ন ২৬টি খাল এলাকা থেকে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে মাইকিং করে জেলা প্রশাসন।








