সব আইনি প্রক্রিয়া শেষে চলতি মাসেই শিশু সাইদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল মালেক।
সিলেটে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র আবু সাঈদকে অপহরণ ও হত্যা মামলায় দুই বিচারক ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ সর্বশেষ আরও চারজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাক্ষ্য গ্রহণ করেন মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) সিলেট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আব্দুর রশিদ।
সাক্ষ্যদাতা হলেন সিলেট মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালতের বিচারক শাহেদুল করিম, দ্বিতীয় আদালতের বিচারক ফারহানা ইয়াসমিন, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিদর্শক শামীমুর রহমান পীর ও সিলেটের জকিগঞ্জ থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) রতন লাল দেব।
মামলা পরিচালনার তৃতীয় দিনে ৩৭ সাক্ষীর মধ্যে ২২ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) পর্যন্ত আলোচিত এ মামলার টানা সাক্ষ্যগ্রহণ চলবে বলে জানান পিপি।
গত ১৭ নভেম্বর শিশু সাঈদ অপহরণ ও হত্যা মামলায় চারজনের বিরুদ্ধে আদালত অভিযোগ গঠন করেন। অভিযুক্তরা হলেন, নগরীর বিমানবন্দর থানার কনস্টেবল (বরখাস্তকৃত) এবাদুর রহমান পুতুল, র্যাবের কথিত সোর্স আতাউর রহমান গেদা, সিলেট জেলা ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম রাকিব ও প্রচার সম্পাদক মাহিব হোসেন মাসুম। আসামিদের সকলেই কারাবন্দি।
উল্লেখ্য, এ বছর ১১ মার্চ সকাল ১১টায় সিলেট নগরীর রায়নগর থেকে শাহী ঈদগাহ হযরত শাহমীর (র) স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র আবু সাঈদকে (৯) অপহরণ করা হয়। ১৩ মার্চ রাত ১০টায় বিমানবন্দর থানার পুলিশ কনস্টেবল এবাদুর রহমান পুতুলের কুমারপাড়ার ঝর্ণারপাড় সবুজ-৩৭ নং বাসার ছাদের চিলেকোঠা থেকে সাঈদের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
/এইচকে/এসএস/








