রংপুর অঞ্চলে শৈত্য প্রবাহের মধ্যে শীতের কবল থেকে রক্ষা পেতে আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে এক শিশুসহ দুই জন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে তাদের মৃত্যু হয়। এদিকে, আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে ২৬ জন বার্ন ইউনিটে ভর্তি আছেন।
নিহত অগ্নিদগ্ধরা হলেন গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বাবর আলীর সাড়ে তিন বছরের কন্যা সাবিহা এবং একই জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার ইলছপুর গ্রামের ছিদ্দিকুল ইসলামের ছেলে আলম (৩৫)। রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের বিভাগীয় প্রধান ডা. এম এ হামিদ পলাশ জানান, আগুন পোহানোর সময় এই দুই জনেরই শরীরের ৬০ থেকে ৬৫ ভাগ পুড়ে গিয়েছিল।
তিনি আরও জানান, আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধদের মধ্যে বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন আছেন ২৬ জন। এদের মধ্যে তিন জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের ঢাকায় পাঠানো হবে। তিনি বলেন, আক্রান্তদের বেশিরভাগই শিশু ও বয়সী নারী।
এই চিকিৎসক আগুন পোহাতে নিষেধ করে বলেছেন, ‘শীতের কারণে আগুন পোহানোয় কোনও লাভ হয় না, বরং অসাবধানতায় পরনের কাপড়ে আগুন লেগে যায়। ফলে শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। সে কারণে আগুন পোহানো পরিহার করে শিশু এবং বয়স্কদের গরম কাপড় পরে রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যেতে হবে। প্রয়োজনে দেরীতে ঘুম থেকে উঠুন।’








