শ্রীপুরে নৃশংস ধর্ষণ ও ৩ হত্যার বিবরণ দিলেন একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী

রায়হানুল ইসলাম আকন্দ, গাজীপুর প্রতিনিধি
০৪ ডিসেম্বর ২০১৫, ১৯:১৭আপডেট : ১৩ ডিসেম্বর ২০১৫, ০২:১৮

GAZiPUR-ARiFA%20&%20MOTHER%20HASUNi ‘আমারে তোশক চাপা দিয়া ধইরা রাইখা পশুগুলা আমার ছোট বোনটারে ধর্ষণ করছিল। ওগরে চিন্যা ফালাইছে দেইহা তারা আমার মায়রে (মা) কুপাইয়া মাইরা ফালায়। হেরপর আমার ছোট বোনটারেও কুপাইয়া মারে। ফিরা যাওনের সময় আমারেও
কুপায়। হেরা ভাবছিল আমি মইর‌্যা গেছি।’
দীর্ঘ ছয় মাসেরও বেশি সময় পর হাতের ইশারায় ডুকরে ডুকরে অনেকটা অস্পষ্ট এই কথাগুলো বলছিলেন শাহজাহান (৩২)।

বোন আরিফা আক্তার (২২), মা ফজিলা খাতুন হাসুনি (৫৫) ও  প্রতিবেশী মিনারা বেগমকে (৪৫) কুপিয়ে হত্যার পর তাকেও কুপিয়ে মৃত ভেবে ফেলে গিয়েছিল খুনি ও ধর্ষকদের দলটি। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের (ঢামেক) নিউরোলজি বিভাগে টানা সাত মাস চিকিৎসার পর এখন আশঙ্কামুক্ত তিনি। প্রায় দু’সপ্তাহ ধরে কথা বলারও চেষ্টা করছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন,তাকে পুরোপুরি সুস্থ করে তুলতে আরও  সময় লাগবে।

 

এ বছরের ২৩ এপ্রিল গভীর রাতে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার প্রহ্লাদপুর ইউনিয়নের আতলরা গ্রামে নৃশংস ওই তিন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী শাহজাহান। চিকিৎসকরা তাকে আশঙ্কামুক্ত বললেও আতঙ্ক কাটছে না স্বজনদের। তাদের আশঙ্কা, নৃশংস হত্যাকাণ্ডের একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী শাহজাহানকে হত্যার জন্য মরিয়া হয়ে উঠতে পারে খুনিরা।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের সাত মাসেরও বেশি সময় পার হলেও আদালতে চার্জশিট দাখিল হয়নি । ঘটনার তিনদিন পর ইউসুফ (২৪) ও নাঈমকে (২২) পুলিশ আটক করে। গত ৩০ এপ্রিল ইউসুফ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। স্বজনদের অভিযোগ, এরপর দৃশ্যত পুলিশের কোনও তৎপরতাই চোখে পড়ছে না।

শাহজাহানের সঙ্গে কথা বলতে তার বাড়ি গিয়ে দেখা গেল, যে ঘরে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা ঘটেছিল সেখানে জানালার পাশে  দাঁড়িয়ে আছেন তিনি। কথা বলতে চাইলে আচমকা চিৎকার করে বলে ওঠেন, ‘আমি বাঁইচা রইলাম ক্যা।’

ওই রাতের ঘটনা জানতে চাইলে বুক চাপড়ানো শুরু করেন তিনি। এক পর্যায়ে গড়গড় করেই বলতে থাকেন ঘটনা। তবে তার অনেক কথা অস্পষ্ট। অস্পষ্ট কথাগুলো হাতের ইশারায় বুঝিয়ে দেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা তার সঙ্গে কথা বললেও অনেক সময়জুড়ে হাউমাউ করে কেঁদেছেন। দ্বিতীয় দিন তার সঙ্গে কথা বলতে তিনি ওই রাতের নৃশংসতা ঘটনার বিবরণ দেন।

শাহজাহান জানান, সেদিন ছিল ২৩ এপ্রিল, ২০১৫। তখন মধ্যরাত। দরজা ভাঙার বিকট শব্দে আমার ঘুম ভাঙে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই গলায় ধারালো অস্ত্র ধরে চৌকিতে পাতা তোশকে মুড়িয়ে দুর্বৃত্তদের কয়েকজন তাকে চেপে ধরে রাখে। একই ঘরের মেঝেতে বিছানা পেতে ঘুমিয়ে ছিলেন তার একমাত্র ছোট বোন আরিফা ও মা হাসুনি। ওই সময় আরিফার চিৎকার করে। চিৎকারে মা জেগে ওঠেন। মা চিৎকার করে বলেন, ‘আমার মাইয়ারে কি করতাছো গো!’ তৎক্ষণাৎ ‘কচাত কচাত’ কোপের শব্দ পান। কোপানোর সময় আরিফা সজোরে চিৎকার করে ‘মায়রে মাইরা ফালাইতাছে’। এটা বলার পরই কেউ যেন তার মুখ চেপে ধরেছে বলে মনে হয়। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে আরিফার সঙ্গে দুর্বৃত্তদের ধস্তাধস্তি ও গোঙানির শব্দ ছাড়া কিছু টের পাওয়া যায় না।

 

তিনি জানান, একপর্যায়ে আরিফা আবারও চিৎকার দেন। মুহূর্তে আবারো ছয় থেকে সাতটি কোপের সেই ‘কচাত’ শব্দ। ওই সময় দুর্বৃত্তদের একজন শাহজাহানের উদ্দেশে বলে,‘ঘরে ঢোকার সময় ওই হালায় চিন্যা ফালাইছে। এই তোরা সর।’ বলেই তোশক সরিয়ে একজন মাথায় কোপ বসায়। এরপর আর কিছু মনে নেই।

শাহজাহানের ভাষায়, ‘ওরা কয়জন আছিলো কইতে পারিনা। তয় দরজা ভাইঙাই পাঁচজন ঘরে ঢুকে। পরথমেই আমি রবিনরে দেহি। পরে মানিক আর ইউসুফ আমারে তোশক চাপা দিয়া রাহে। মারে-আরিফারে মাইরা যহন আমার তোশক সরায় তহনই দেহি আল-আমিন আর নাঈমরে।’

জানা গেছে অভিযুক্ত রবিন (২৬) পাশের রাজাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক সদস্য ও আতলরা কাচারিপাড়া গ্রামের নাসির উদ্দিন খানের ছেলে। শাহজাহানের বাড়ি থেকে রবিনের বাড়ির দূরত্ব  তিনশ’ গজ। মানিক (২৩) রবিনের চাচাত বোন বেবী আক্তারের ছেলে। মানিকের বাড়ি পাশের বাউনী গ্রামে। তার বাবার নাম জানা যায়নি। মানিক দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে আতলরা কাচারিপাড়া গ্রামে তার

 

 নানাবাড়ি থাকত। দুর্বৃত্তদের সঙ্গে থাকা ইউসুফ (২৪) পাশের নোয়াগাঁও উত্তরপাড়া গ্রামের আয়নাল হকের ছেলে ও আল-আমিন (২৫) পাশের বনখড়িয়া গ্রামের নূরুল ইসলামের ছেলে। শাহজাহানের শনাক্ত করা দুর্বৃত্তদের অন্য সদস্য নাঈম (২২) নোয়াগাঁও উত্তরপাড়া গ্রামের নূরুল ইসলামের ছেলে।

স্বজনরা জানান, সেদিন গভীর রাতে হামলার পর দুর্বৃত্তরা চলে গেলে গোঙানির শব্দ টের পান তারা। পরে রক্তাক্ত নিস্তেজ অবস্থায় রাতেই গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক আরিফা আক্তারকে মৃত ঘোষণা করেন। রাতেই মা ফজিলা খাতুন হাসুনি ও তার বড় ছেলে শাহজাহানকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসকরা হাসুনিকে মৃত ঘোষণা করেন। একদিন পর রাজধানীর উত্তরা একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান প্রতিবেশী মিনারা বেগম। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে নিউরোলজি বিভাগে টানা ছয় মাস চিকিৎসার পর আশঙ্কামুক্ত হন শাহজাহান। গত নভেম্বরে আগে হাসপাতাল থেকে তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়।

শাহজাহানের ছোট ভাই মুজিবুর রহমান জানান,

 

 শাহজাহানের মাথায় ছয়টি গুরুতর জখম ছিল। চিকিৎসকরা তাকে জানিয়েছেন, পুরোপুরি সুস্থ হতে আরও সময় লাগবে।

তিনি আরও জানান, তার বড় ভাইয়ের বাঁচার কোনও সম্ভাবনা ছিল না। প্রায় তিন মাস সময় শাহজাহান ছিলেন অজ্ঞান-নিস্তেজ। এরপর জ্ঞান ফিরলে চিৎকার-চেঁচামেচি করতেন। চার মাস পর স্মৃতি ফিরে তার। পরে অনেক সময় হাউমাউ করে কেঁদে কিছু বলার চেষ্টা করতেন। হাতের ইশারায় তার দেখা নৃশংসতার বর্ণনাও দিতে চাইতেন তিনি।

 

পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ:

হত্যাকাণ্ডের পর খুনিদের শনাক্ত করতে তৎপরতা শুরু করে পুলিশ। গোয়েন্দা পুলিশও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে ‘ছায়া তদন্তে’ নামে। হত্যার পর ফেলে যাওয়া মোবাইল সেটের সূত্র ধরে ঘটনার তিনদিন পর নাঈমকে আটক করে পুলিশ। নাঈমের মোবাইল কললিস্টের সূত্র ধরে পরদিন আটক করা হয় ইউসুফকে। ইউসুফ হত্যায় জড়িত বলে স্বীকার করে গাজীপুর আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। এরপর তদন্ত শেষ করে পুলিশ দীর্ঘ সাত মাসেও আদালতে চার্জশিট জমা দিতে পারেনি। স্বজনদের অভিযোগ, ‘রহস্যজনক কারণে’ পুলিশ অনেকটা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। মামলার বাদী মুজিবুর রহমান অভিযোগ করেন, তদন্ত কর্মকর্তা গত চার মাসে একবার গ্রামে গিয়ে তদন্ত করে এসেছিলেন। খুনিদের সহযোগীরা বিভিন্ন সময় হুমকি দিলেও ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। হত্যাকাণ্ডেরর একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী শাহজাহান দীর্ঘ সাত মাসেরও বেশি সময় পর কথা বলতে পারলেও পুলিশ তারও সাক্ষ্য নেয়নি। তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে মামলার বাদী মুজিবুর রহমান জানান, বেঁচে যাওয়ায় খুনিরা যেকোনও সময় বড় ভাই শাহজাহানকে হত্যা করতে পারে। তার নিরাপত্তায়ও পুলিশের কোনও উদ্যোগ নেই।

 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তার বক্তব্য

 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শ্রীপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ বলেন, গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে নিহত কলেজ ছাত্রী আরিফা ও মিনারা বেগমের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। কিন্তু ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে নিহত ফজিলা খাতুন হাসুনির ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও শাহজাহানের চিকিৎসা সনদ না পাওয়ায় চার্জশিট তৈরি করতে দেরি হচ্ছে।

শাহজাহানের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুলিশের কাছে নিরাপত্তা চাইলে অবশ্যই তাকে তা দেওয়া হবে। আসামি গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর দাবি করে এই তদন্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সাতজনের মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মূল আসামি রবিনসহ পাঁচজনকে ধরার জন্য পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

 

আদালতে ইউসুফের স্বীকারোক্তি:

 

চাঞ্চল্যকর তিন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আটক ইউসুফ গত ৩০ এপ্রিল গাজীপুর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তিনি জানান, তারা সাতজন ওই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। তার সঙ্গে রবিন, মানিক, আল-আমিন, নাঈম, রুবেল ও ইমরান ওই রাতে দরজা ভেঙে কলেজ ছাত্রী আরিফাকে গণধর্ষণের জন্য গিয়েছিল। রুবেল ও ইমরানের বাড়ি পাশের বড়চালা গ্রামে।

জবানবন্দিতে ইউসুফ দাবি করে, আরিফা ছিল সুন্দরী। তাকে রবিন পছন্দ করত। বিভিন্ন সময় রবিন প্রেমের প্রস্তাব দিলেও আরিফা প্রত্যাখ্যান করে। এতে রবিন ক্ষিপ্ত হয়। গত ২৩ এপ্রিল দুপুর ১২টার দিকে রাজেন্দ্রপুর মাঠে তাদের ছয়জনকে ডেকে রবিন আরিফাকে ধর্ষণের পরিকল্পনা করে। ওই দিন রাত সাড়ে ১২টার দিকে তারা আরিফার বাড়িতে হানা দেয়। দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে সে ও মানিক শাহজাহানকে চৌকিতে বিছানো তোশক দিয়ে চাপা দিয়ে রাখে। রবিন ধর্ষণের চেষ্টাকালে আরিফা চিৎকার করায় তার মা জেগে ওঠে। তিনি মেয়েকে রক্ষার চেষ্টা চালান।  চিৎকার করায় ও চিনে ফেলায় তার মাকে কোপানো হয়। এরপর রবিন, নাঈম, ইমরান, আল-আমিন ও রুবেল পালাক্রমে আরিফাকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর ওই পাঁচজন কুপিয়ে হত্যা করে

 

 আরিফাকে। পরে শাহজাহানও তাদের চিনে ফেলেছে বলে তাকেও হত্যার জন্য কোপানো হয়। পালানোর সময় রক্তাক্ত দা ও চাপাতি হাতে তাদের দেখে চিনে ফেলায় পথে মিনারা বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করে রবিন ও নাঈম।

/এসএস/

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
ঢাকায় ডেঙ্গুর চরম ঝুঁকিতে কোন ওয়ার্ড
ঢাকায় ডেঙ্গুর চরম ঝুঁকিতে কোন ওয়ার্ড
বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান, নিয়োগ পেলেন তিন কমিশনার
বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান, নিয়োগ পেলেন তিন কমিশনার
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের বিজয়ে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের বিজয়ে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন
ইরানে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল: খামেনি
ইরানে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল: খামেনি
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের