দেশের অন্য বন্দরগুলোতে হ্যান্ডলিং শ্রমিকদের যে রেটে মজুরি দেওয়া হয় তার প্রায় অর্ধেক মজুরি পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন বেনাপোলের হ্যান্ডলিং শ্রমিকরা। তাই সমান রেটে মজুরির দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন তারা। শনিবার (৪ জানুয়ারি) বেনাপোল স্থলবন্দরের রাজস্ব দফতরের সামনে দুটি হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে মানববন্ধন করে এ দাবি জানিয়েছেন তারা।
এই মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বেনাপোল স্থল বন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক (৯২৫) এর সাধারণ সম্পাদক অহিদুজ্জামান অহিদ।
এ সময় (৯২৫) এর সভাপতি রাজু আহমেদ বলেন, দেশের মোংলা বন্দর, বুড়িমারী বন্দর, চিটাগাং বন্দরসহ অন্য বন্দরগুলোতে আমদানি করা মালামাল লোড-আনলোডের জন্য শ্রমিকদের মজুরি প্রতি টন ৩০.৫৩ টাকা হলেও বেনাপোল স্থলবন্দর শ্রমিকদের জন্য মাত্র প্রতি টন ১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই দেশের অভ্যন্তরে দুই নিয়ম চলতে পারে না। আমাদের মজুরি বাড়ানোর ব্যাপারে বন্দর কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানালে কর্তৃপক্ষ বিবেচনা করে টেন্ডার আহ্বান করবেন বলে আমাদেরকে আশ্বস্ত করেছিলেন। কিন্ত বন্দর কর্তৃপক্ষ আমাদের কথা বিবেচনা না করে শ্রমিক ঠিকাদার নিয়োগের টেন্ডার দিয়েছেন আরও কম রেটে। তাই আমাদের দাবি ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ না করা পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাবো।
বেনাপোলের সব শ্রমিক ভাইদের পরিবারের কথা চিন্তা করে এই নিম্নদরে দরপত্র প্রত্যাহার জানিয়ে ও অন্যান্য বন্দরের মতো বেনাপোল বন্দরের শ্রমিকদের সর্বোচ্চ ন্যায্যমূল্যে মজুরি দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। যদি তাদের এই দাবি পূরণ না হয় তবে আগামীতে আরও কর্মসূচি নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, বেনাপোল হ্যান্ডলিং শ্রমিক ৮৯১ ইউনিয়নের সভাপতি কলিমউল্লাহ, সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম জানে, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান ও বেনাপোল হ্যান্ডলিং শ্রমিক (৯২৫) ইউনিয়নের সহ-সভাপতি আ. রশিদ মল্লিক, সাংগঠনিক সম্পাদক সাহাজ্জুল হোসেন প্রমুখ।








