জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের ক্ষণগণনা সারাদেশের মতো শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) গাজীপুরেও শুরু হবে। এ উপলক্ষে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন। বিশ্ব ইজতেমার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখার বিষয়টি মাথায় রেখে কর্মসূচি সাজানো হয়েছে।
গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আবু নাসার উদ্দিন জানান, জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের ক্ষণগণনা উপলক্ষে ইতোমধ্যে জেলার ৫টি উপজেলায় ৯টি কাউন্টডাউন মেশিন স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া কেন্দ্রীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচারের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক কার্যালয় এলাকা, সিটি করপোরেশন ও উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে দর্শকদের জন্য টিভি স্থাপন করা হয়েছে।
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের (গাসিক) মেয়র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানান, শুক্রবার মুজিববর্ষের ক্ষণগণনা উপলক্ষে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। তবে একই দিন হতে সিটি করপোরেশনের টঙ্গীতে শুরু হচ্ছে মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহৎ জমায়েত বিশ্ব ইজতেমা। তাই ইজতেমার পরিবেশকে সুন্দর ও স্বাভাবিক রাখার বিষয়টি সামনে রেখে কর্মসূচি সাজানো হয়েছে। ক্ষণগণনার কেন্দ্রীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি সম্প্রচারের জন্য ভাওয়াল রাজবাড়ী, চান্দনা চৌরাস্তা ও বোর্ড বাজারসহ সিটির বিভিন্ন এলাকায় বড় আকারের টিভি বসানো হয়েছে। এছাড়াও জেলা শহরের ভাওয়াল রাজবাড়ী মাঠে গণজমায়েত ও আতশবাজিসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হবে। গিনেজ বুকে অন্তর্ভুক্তির জন্য বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ম্যাপ তৈরির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে এই গণজমায়েত থেকে।
অপরদিকে, গাজীপুরের বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে শুক্রবার দিনব্যাপী ক্ষণগণনা অনুষ্ঠান বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপন করা হবে। এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল গেটে বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন ছবি ও তথ্য এলইডির মাধ্যমে প্রদর্শন করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদে জুমার নামাজের পর জাতির পিতার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স হলে বঙ্গবন্ধুর ওপর ডকুমেন্টারি, দেশাত্মবোধক গান প্রচার ও প্রদর্শন করা হবে।
অনুষ্ঠানে অংশ নিতে উপাচার্যের নেতৃত্বে প্রো-উপাচার্য, ট্রেজারার ও রেজিস্ট্রারসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পদযাত্রায় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ এবং স্বাধীনতা চিরন্তন স্মারক ভাস্কর্যে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসে দুই দিনব্যাপী আলোকসজ্জা থাকবে।








