দেশব্যাপী ছয় মাস হতে পাঁচ বছর বয়সী সব শিশুকে ১১ জানুয়ারি ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এরই অংশ হিসেবে খুলনায় ২ লাখ ৭১ হাজার ৩৪১ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৩১ হাজার ৬৪৩ শিশু এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী দুই লাখ ৩৯ হাজার ৬৯৮ শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। জেলায় ৯টি উপজেলা, একটি সিটি করপোরেশন এবং দুইটি পৌরসভা এলাকায় এসব শিশুর অবস্থান। খুলনার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মো. সাইদুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
ডেপুটি সিভিল সার্জন জানান, খুলনা জেলার ৯টি উপজেলা এবং দুটি পৌরসভা এলাকায় ৬ থেকে ১১ মাসের ২০ হাজার ৮৬৮ শিশু ও ১২ মাস ৫৯ মাসের এক লাখ ৫৮ হাজার ৬৩১ শিশু এবং খুলনা সিটি করপোরেশন এলাকায় ৬ থেকে ১১ মাসের ১০ হাজার ৭৭৫ শিশু ও ১২ থেকে ৫৯ মাসের ৮১ হাজার ৬৭ শিশুকে ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গত বছরের ২২ জুন অনুষ্ঠিত ক্যাম্পেইনে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ২১ হাজার ৬১ শিশুকে এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা ছিল। অর্জন হয় ৯৮ দশমিক ৫ ভাগ। আর ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী এক লাখ ৫৭ হাজার ৩৮৫ শিশু লক্ষ্যমাত্রায় ছিল। ওই সময় অর্জন হয় ৯৮ দশমিক ৮৯ ভাগ।
সাইদুল ইসলাম জানান, শনিবার (১১ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে একটানা বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে এবং একইসঙ্গে স্বাস্থ্যবার্তা প্রচার করা হবে। এছাড়া স্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রের পাশাপাশি রেল স্টেশন, বাসটার্মিনাল, ফেরিঘাট, লঞ্চঘাটসহ বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। ক্যাপসুল খালি পেটে খাওয়ানো যাবে না। এতে সাধারণত কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। ওই দিন ৬-১১ মাস বয়সী সব শিশুকে একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এ কে এম আব্দুল্লাহ জনান, ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য সিটি করপোরেশনের ৩১টি ওয়ার্ডে কেন্দ্রের সংখ্যা ৭১০টি, মোবাইল টিম ৮০টি, এনজিও পরিচালিত কেন্দ্র ৫০টি, ভলান্টিয়ার (ওয়ার্ডভিত্তিক) এক হাজার ১৬০ জন, মোট ভলান্টিয়ার এক হাজার ৪২০ জন এবং সুপারভাইজার ৬২ জন। খুলনা জেলার ৯টি উপজেলা ও দুটি পৌরসভায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ৬৮টি, ওয়ার্ড সংখ্যা ২০৪, মোট টিকাদান কেন্দ্র এক হাজার ৬৪১টি, মোট ভলান্টিয়ার তিন হাজার ২৮২জন এবং মেডিক্যাল টিমের সংখ্যা ১১৬টি।








