কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় নাওতলা এলাকায় এক যুবককে হত্যার পর কেটে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ছড়িয়ে দেওয়ার রহস্যের কোনও কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। তবে পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনা তদন্তে জেলা পুলিশের তিনটি ইউনিট পৃথকভাবে কাজ করছে। নাছির উদ্দিনকে (২৬) কুপিয়ে টুকরো করে হত্যার ঘটনায় মোয়াজ্জেম হোসেন নামে একজনকে আটক করা হয়েছে।
চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবুল ফয়সল জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মোয়াজ্জেম হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তিনি বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনও পরিষ্কারভাবে কিছু বোঝা যাচ্ছে না। ঘটনাটির রহস্য উদঘাটনে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে তিনটি ইউনিট পৃথকভাবে কাজ করছে। আটক ব্যক্তিকে ডিবি পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নিয়ে তদন্ত চলছে।’
উল্লেখ্য, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নাওতলা আলিম মাদ্রাসা সংলগ্ন একটি মার্কেটে নৈশপ্রহরীর কাজ করেন নাওতলা গ্রামের রবিউল্লাহ। ওই মার্কেটে চা দোকানের ব্যবসার পাশপাশি বাবা রবিউল্লাহর পরিবর্তে ছেলে নাছির উদ্দিন নৈশপ্রহরীর কাজও করেন মাঝে মধ্যে। রবিবার রাতে রবিউল্লাহ অসুস্থ থাকায় নৈশপ্রহরীর দায়িত্ব পালন করতে যান ছেলে নাছির উদ্দিন। রাতের কোনও এক সময়ে হত্যাকারীরা তাকে কুপিয়ে হত্যা করে লাশ ছিন্ন-বিছিন্ন করে মহাসড়কে ফেলে দেয়। সকালে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দিলে খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন-
হত্যার পর মহাসড়কে ফেলে দেওয়া হলো ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন লাশ








