চীন থেকে সরাসরি পণ্য যায় মিয়ানমারে। এরপর মিয়ানমার থেকে টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে বাণিজ্যিকভাবে তা প্রবেশ করে বাংলাদেশে। এছাড়াও নাফ নদী ও সীমান্ত দিয়ে রোহিঙ্গারাও প্রবেশ করে। মিয়ানমার থেকে পণ্যবোঝাই ট্রলারে অনেক সময় থাকে কুকুরসহ আরও প্রাণী। চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস সীমান্ত দিয়ে দেশে প্রবেশ করার সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য বাণিজ্যের কারণে মিয়ানমার থেকে আসা ব্যক্তিদের টেকনাফ সীমান্তে চলাচল নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।
জানা যায়, টেকনাঠে ইতোমধ্যে একটি মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। এছাড়া মিয়ানমার থেকে টেকনাফ স্থল বন্দরে আসা ট্রলারের মাঝি-মাল্লাদের চলাচল নিয়ন্ত্রণে রেখেছে কর্তৃপক্ষ।
এসব তথ্য নিশ্চিত করে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আরও বলেন, ‘এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদফতরও সর্তক অবস্থানে রয়েছে।’
স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্র জানায়, এই মেডিক্যাল টিমে একজন মেডিক্যাল অফিসার, উপ-সহকারী মেডিক্যাল অফিসার, নার্স ও ব্রাদার থাকবেন। পাশাপাশি এ বিষয়ে টেকনাফ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষকে চিঠি পাঠানো হয়েছে, যাতে স্থলবন্দর ও করিডোরে কারও শ্বাসকষ্ট, জ্বর,সর্দি ও কাশির মতো সন্দেহজনক লক্ষণের দেখা দিলে হাসপাতালে জানানো হয়। এ বিষয়ে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ ও কর্মপরিকল্পনা ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকতা ডা. টিটু চন্দ্র শীল বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দশনায় করোনা ভাইরাস ঠেকাতে এই সীমান্তে একটি মেডিক্যাল টিম করা হয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত বাণিজ্যের স্থান টেকনাফ স্থলবন্দর ও শাহপরীর দ্বীপ করিডোর এলাকায় সর্তকতার মধ্যে রয়েছি। কেননা ব্যবসার প্রয়োজনে এই দুই জায়গা দিয়ে মিয়ানমারের লোকজনের আনাগোনা দেখা যায়।’
টেকনাফ স্থলবন্দর ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্ট ব্যবস্থাপক মো. জসীম উদ্দীন চৌধুরী বলেন, ‘জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশে বন্দর কর্তৃপক্ষ সর্তক অবস্থানে রয়েছে। এছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য অধিদফতরের পক্ষ থেকে একটি মেডিক্যাল টিম সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে। পাশাপাশি মিয়ানমার থেকে ট্রলার ভর্তি বিভিন্ন মালামালের সঙ্গে আসা সেদেশের লোকজনের চলাচল নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।’








