রাঙামাটি-চট্টগ্রাম যাত্রীবাহী বাস সার্ভিস ‘পাহাড়িকা’র সেবার মান বৃদ্ধি ও ভাড়া কমানোর দাবিতে এবার বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে স্থানীয়রা। মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় কাউন্টারে গিয়ে বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে হুট করেই দুর্ভোগে পড়ে সাধারণ যাত্রীরা। তিন ঘণ্টা গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখার পর দুপুর দুইটার পর গাড়ি চলাচল পুনরায় শুরু হয়।
রিজার্ভ বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আনোয়ার মিয়া বানু বলেন, ‘রাঙামাটি থেকে বিশেষ সার্ভিসের কথা বলে দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়িকা বাস যাত্রীদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে। ফিটনেসবিহীন গাড়ি দিয়ে চালানো হচ্ছে বিশেষ সার্ভিস। ঢাকা থেকে যেসব গাড়ি চট্টগ্রামের যাত্রী নিয়ে রাঙামাটি নিয়ে আসছে, তাদের থেকেও চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মালিক সমিতি রাউজান থেকে চাঁদাবাজি করছে। এতে উন্নত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে জেলাবাসীসহ রাঙামাটিতে আসা পর্যটকরা।’
গ্রিন ক্যাসেলের সত্ত্বাধিকারী আসাদ বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আমরা রাউজানের কাছে জিম্মি। রাঙামাটি পর্যটন এলাকা। এখানে উন্নতমানের গাড়ি ঢুকতে চাইলে রাউজানের মালিকরা ঢুকতে দেয় না। এতে যাত্রীরা উন্নত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এই বন্দিদশা থেকে আমরা মুক্তি চাই।’
রাঙামাটি-চট্টগ্রাম বাস মালিক সমিতির সভাপতি মঈনুদ্দীন সেলিম বলেন, ‘আমরা আলোচনার ভিত্তিতে স্থানীয় জনগণের দাবির সমাধান করবো।’
এদিকে পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই হঠাৎ করেই বাস সার্ভিস বন্ধ করে দেওয়ায় যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েছেন। এসময় দ্রুতযান সার্ভিস ও সিএনজি’র মাধ্যমে যাত্রীরা তাদের গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন।








