গোপালগঞ্জে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ ও সংক্রমণ ঠেকাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে জেলা সদরের তরকারি, মাছ ও মাংসের বাজার স্থানান্তর করা হয়েছে। আজ রবিবার সকাল থেকে স্থানীয় শেখ কামাল আউটার ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বসেছে এ বাজার। প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলবে কেনাবেচা।
বেচাকেনার নতুন স্থানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দোকান বসানো হয়েছে। ক্রেতারাও নিয়ম মেনে কেনাকাটা করছেন। সারা দেশের মতো গোপালগঞ্জের অন্য সব ধরনের দোকানপাট বন্ধ থাকলেও তরকারি, মাছ ও মাংসের বাজারে সকালের দিকে কেনাকাটায় ভিড় লেগে যায়। এর ফলে জেলা প্রশাসন কাশিয়ানী, কোটালীপাড়া, মুকসুদপুর ও টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বিভিন্ন বাজারে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় মুদি দোকানগুলো বিকাল ৩টা পর্যন্ত খোলা থাকছে।
তরকারি বিক্রেতা পঙ্কজ রায় ও নির্মল বিশ্বাস জানান, ‘প্রশাসন যা করেছে ভালো হয়েছে। তা না হলে প্রতিদিন প্রশাসনের লোকজন মনিটরিংয়ে আসে। তাড়াহুড়ো লেগে যায়। এবার আর তাড়াহুড়ার ভয় থাকলো না।’
বাজার করতে আসা আকবর হোসেন জানান, নতুন করে স্থাপন করা বাজারে এসে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বাজার করা যাচ্ছে। এতে করোনা ঝুঁকি কিছুটা হলেও কমবে। এই ব্যবস্থাটা প্রথম থেকে করলে ভালো হতো।
জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা বলেন, ‘করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিকল্প নেই। বাজারগুলোতে সব সময় ভিড় লেগেই থাকে। এতে করোনার ঝুঁকি বাড়ার সম্ভাবনা বেশি। এটা গোপালগঞ্জ পৌরসভার বাজার হওয়ায় এখানে কোনোভাবে লোকসমাগম ঠেকানো যাচ্ছিল না। তাছাড়া বাজারের স্থানটা ঘিঞ্জি হওয়ায় লোকসমাগম ঠেকাতে সমস্যা হচ্ছিল। তাই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’








