যশোর জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ড থেকে হ্যান্ডকাফ পরা অবস্থায় সুজন (২৫) নামের একজন হাজতি পালিয়েছে। রবিবার (১৩ এপ্রিল) রাত দশটার দিকে ওয়ার্ডের একটি জানালা ভেঙে পালিয়ে যায় সে। পলাতক সুজন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। তার বাড়ি রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে। তার বাবার নাম রঞ্জিৎ মল্লিক।
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার তুহিন কান্তি মণ্ডল জানান, সুজন সাড়ে চার বছর আগে যশোরের মণিরামপুরের এক মেয়েকে বিয়ে করে। বউকে নিয়ে যশোর শহরের বারান্দিপাড়ায় বসবাস করতো। কিছুদিন আগে তিন বছরের মেয়েসহ স্ত্রীকে তালাক দেয়। এরপর বারান্দিপাড়ার এক ব্যাংক কর্মকর্তার অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে যায়। ওই ঘটনায় মেয়ের বাবা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সুজনের নামে যশোর কোতোয়ালি থানায় মামলা করে। পুলিশ ৯ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ থেকে সুজনকে আটক করে যশোর নেয়। এরপর ১০ এপ্রিল তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। সুজনের শরীরের করোনার উপসর্গ থাকায় তাকে কারাগার থেকে সেদিন সন্ধ্যায় যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর তাকে হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিলো। রবিবার রাতে ওয়ার্ডের জানালা ভেঙ্গে হ্যান্ডকাফসহ সে পালিয়ে যায়।
জেলার আরও জানান, ঘটনাটি জানার পর পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
যশোর পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম বলেন, 'তাকে গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। আশপাশের থানাগুলোতে বেতার বার্তা পাঠানো হয়েছে।'








