করোনাভাইরাসের সংক্রমণের থাবায় অর্থনৈতিক স্থবিরতার মধ্যেও মোংলা ইপিজেডে চালু হয়েছে চীনা বিনিয়োগের একটি কারখানা। জরুরি ভিত্তিতে ব্যক্তিগত সুরক্ষা পোশাক (পিপিই)সহ অন্য পোশাক তৈরির উদ্দেশ্যে ‘জীম লাইট বিডি বাংলাদেশ’ নামের কারখানাটি সম্প্রতি চালু করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ভোরে মোংলার স্থায়ী বন্দরের বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে দেখা যায়, ইপিজেডের ‘জীম লাইট বিডি বাংলাদেশ’ নামে ফ্যাক্টরি অভিমুখে দলবেঁধে ছুটছেন শ্রমিকরা। তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কেউ স্বেচ্ছায়, কেউ চাকরি বাঁচাতে ঘর থেকে বের হয়েছেন।
করোনার ভেতরে শ্রমিকরা এ কারখানায় স্বেচ্ছায় কাজ করতে এসেছেন কিনা জানতে চাইলে ফ্যাক্টরির ম্যানেজার নাজমুল ইসলাম শ্রমিকদের এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কাউকে কাজ করতে বাধ্য করা হচ্ছে না। যারা কাজ করছে, তারা স্বেচ্ছায় করছে।’
এসময় তিনি জানান, কোনও শ্রমিক যদি কাজ করতে না চায় তাহলে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে না। তবে যারা এখন কাজ করবে তাদের স্বেচ্ছায় আসতে হবে।
এ বিষয়ে মোংলা ইপিজেডের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) বলেন, মাহমুদ আহমেদ সিদ্দিক বলেন, ‘শ্রমিকদের সাথে প্রতারণা করে জোর করে কাজ করালে ওই ফ্যাক্টরির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এদিকে, কর্মস্থলে যাওয়ার সময় শ্রমিকদের সামাজিক দূরত্ব মানার প্রবণতা দেখা যায়নি। গা ঘেঁষে হেঁটে এবং যানবাহনে ঠাসাঠাসি করেই কর্মস্থলে ছোটেন তারা। বিষয়টি সংবাদকর্মীরা ইপিজেড কর্তৃপক্ষের নজরে আনায় তারা এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য, করোনা বিধিনিষেধে মোংলা ইপিজেডের ২৩টি ফ্যাক্টরি সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
মোংলা ইপিজেডের একটি ফ্যাক্টরিতে বাধ্যতামূলকভাবে কাজ করনো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন শ্রমিকেরা।








