করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী এবং পিরোজপুর- ১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম নিজ জেলার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে অধিক ত্রাণ বরাদ্দ চাইলেন। বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে ত্রাণ বরাদ্দসহ বিভিন্ন দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন।
পিরোজপুরের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শহীদ সাইফ মিজান মিলনায়তন থেকে এ ভিডিও কনফারেন্স করা হয়। ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ছিলেন সচিব তোফাজ্জেল হোসেন। যিনি করোনা সংক্রান্ত পরিস্থিতিতে ত্রাণ সহায়তা বিষয়ক কার্যক্রমে পিরোজপুর জেলায় সমন্বয়কের দায়িত্বে আছেন।
প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী এ সময় বলেন, ‘আমি মনে করি মৃত্যু নিশ্চিত শুধু সময়টা অনিশ্চিত। যেকোন সময় আমিও মারা যেতে পারি। বাঁচার জন্য নিজেকে আইসোলটেড করে রাখাটা একজন জনপ্রতিনিধির কাজ হতে পারেনা। এ জন্য আমি ঢাকা থেকে চলে আসছি। মন্ত্রী বলেন, আমি পিরোজপুরে আসার আগে ঢাকা থেকে পিরোজপুরে প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে খোঁজ খবর নিয়েছি। মঙ্গলবার আমি পিরোজপুরে এসে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেছি।
শ ম রেজাউল করিম প্রধানমন্ত্রীকে জানান, স্থানীয়রা বিভিন্ন পর্যায়ে সাহায্য সহযোগিতা করছেন। সরকারী সাহায্যের বাইরেও ব্যক্তিগতভাবে আমার পক্ষ থেকে যতটা সম্ভব বিভিন্ন পর্যায়ে সহযোগিতা করছি।
এ সময় তিনি পিরোজপুরের ত্রাণ কার্যক্রমের বিষয়ে সামগ্রিক অবস্থা তুলে ধরেন এবং পিরোজপুরে আরও অধিক পরিমাণে ত্রান এবং পিরোজপুর সদর হাসপাতালে জরুরি ভিত্তিতে একটি মাইক্রোবাস এবং একটি এম্বুলেন্স বরাদ্দ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কে অনুরোধ জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্ল্যা আজাদ হোসেন, পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এম এ হাকিম হাওলাদার, পিরোজপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মহারাজ, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন দফতরের সরকারী কর্মকর্তারা।








