হাওরের বোরো ধান দ্রুত কেটে ঘরে তোলার জন্য জেলা প্রশাসকের উদ্যোগ রাতের বেলাও ধান কাটা হচ্ছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের জন্য সুনামগঞ্জের হাওর এলাকায় এবছর শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে সীমান্তের ওপার থেকে পাহাড়ি ঢল নেমে আসার আশঙ্কায় জেলার লাখো কৃষক উদ্বিগ্ন হয়ে আছেন। জেলার প্রতিটি হাওরের জমিতে পাকা ধান দোল খাচ্ছে। তাই জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার থেকে রাতের বেলায় ধান কাটা শুরু হয়েছে।
আগাম বন্যার হাত থেকে সুনামগঞ্জের হাওরের বোরো ফসল রক্ষার জন্য জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদের উদ্যোগে সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের জোয়াল ভাঙ্গার হাওরে রাতের বেলা শুরু হয় ধান কাটা। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে ধান কাটার উদ্ধোধন করেন। প্রথমেই বেরাজালি গ্রামের জিতেন্দ্র কুমার দাসের ফসলী জমির ধান কেটে দেওয়া হয়। পরে আরও তিন কৃষকের ধান কেটে দেওয়া হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসমিন নাহার রুমা, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খায়রুল হুদা চপল, গৌরারং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফুল মিয়াসহ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের লোকজন ও গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ বলেন, ‘জেলার একমাত্র বোরো ফসল রক্ষা ও হাওরের ধান কাটার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে। সেজন্য জেলায় হারভেস্টার মেশিন দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের এ উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। যে সব উপজেলায় রাতের বেলায় ধান কাটা সম্ভব সে সব উপজেলায় রাতের বেলাও ধান কাটা হবে।’








