দিনাজপুরের বিরলে ত্রাণসামগ্রী পাইয়ে দেওয়ার নামে এলাকাবাসীর থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে মারধরের শিকার হয়েছেন এক ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য। পরে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাতে বিরল উপজেলার ৭ নম্বর বিজোড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভবানীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) মামলা দায়েরের পর ওই ইউপি সদস্যকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেফতার হওয়া ইউপি সদস্যের নাম আমিনুল ইসলাম আতর। তিনি ভবানীপুর গ্রামের রুস্তম আলীর ছেলে। এ ঘটনায় ভবানীপুর গ্রামের হামিদুর রহমানের ছেলে আল মামুন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, করোনাভাইরাসের কারণে মানুষকে ঘরে রাখতে সরকার ত্রাণ বিতরণ করছে। আর সেই ত্রাণের চালসহ অন্যান্য জিনিসপত্র পাইয়ে দেওয়ার নামে ইউপি সদস্য আতর ১২০-৩০০ টাকা করে ঘুষ নিচ্ছিলেন। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে সাত জনসহ আরও অনেকের থেকে ঘুষ নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইরে আতর কোনও সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাকে উত্তম-মধ্যম দিয়ে বিরল থানা পুলিশকে খবর দেয়।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ইউপি সদস্য আমিনুল ইসলাম আতরকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় শুক্রবার সকালে আল মামুন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
বিরল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাসিম হাবিব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ইউপি সদস্য আমিনুল ইসলাম আতরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।








