নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ডুমুরুয়া ইউনিয়নে জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে এক মাটি কাটা শ্রমিকের (৩০) মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৪এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে ওই ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ভূঁইয়াবাড়ি সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত ঘরে তার মৃত্যু হয়। এ সময় ঘরে থাকা তার সঙ্গীরা মরদেহ ফেলে পালিয়ে যায়। পরে, শনিবার (২৫ এপ্রিল) মৃত ব্যক্তি ও তার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের নমুনা সংগ্রহ করে চট্টগ্রামের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজে (বিআইটিআইডি) পাঠানো হয়। বিকালে ওই ব্যক্তির দাফন কাজ সম্পন্ন হয়।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল বাতেন মৃধা মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শ্রমিকদের দলনেতাকে (মাঝি) খুঁজে বের করে জানা যায়, মৃত ব্যক্তির গ্রামের বাড়ি হাতিয়ার নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নে। ওই শ্রমিকসহ পাঁচ জন শ্রমিক গত কয়েকদিন ধরে মাটি কাটার কাজ করছিলেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মতিউর রহমান জানান, ওই শ্রমিক গত দুই দিন ধরে জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। শুক্রবার রাত ১১টার সময় তিনি মারা যান। শনিবার সকালে নিহতের এবং তার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করে চট্টগ্রামের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজে (বিআইটিআইডি) পাঠানো হয়। বিকালে উপজেলা দাফন কমিটির মাধ্যমে করোনা নিয়মে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় ওই ব্যক্তিকে দাফন করা হয়। তার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে বলা হয়েছে এবং বাড়িটি লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।
ওসি আরও জানান, শনিবার রাতে অপর শ্রমিকদের খুঁজে বের করে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। রবিবার (২৬ এপ্রিল) উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।








