খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এনিয়ে বিভাগে করোনা পজিটিভের সংখ্যা ১১২ জন। এছাড়াও মৃত্যু হয়েছে ২ জনের।
জানা যায়, ১০ মার্চ থেকে করোনার হিসাব শুরু হয় খুলনা বিভাগে। চুয়াডাঙ্গায় আসা ইতালী প্রবাসী প্রথম করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয় ১৯ মার্চ। তারপর দ্বিতীয় করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয় ১৩ এপ্রিল খুলনার এক তাবলিগ ফেরত ব্যক্তি। আর ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ৫১ জন পজিটিভ শনাক্ত হন। প্রথম ৫০ হতে সময় লাগে ৩৬ দিন। আর গত দিন দিনেই শনাক্ত হলো আরও ৫০ জন।
খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক রাশিদা সুলতানা জানান, ১০ মার্চ থেকে খুলনায় করোনার হিসাব শুরু হয়। ৭ এপ্রিল থেকে শুরু হয় পরীক্ষা। ২৫ এপ্রিলের রিপোর্টে বিভাগে মোট পজিটিভ ছিল ৫১ জন। আর ২৮ এপ্রিলের রিপোর্টে পজিটিভ হলো মোট ১১২ জন।
তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) বিভাগে ১৮ জন নতুন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে যশোরে ১০ জন ও ঝিনাইদহে ৮ জন। এই ২৪ ঘণ্টায় ৩২৬ জনকে কোয়ারেন্টিনে নেওয়া হয়েছে। আর ৪৩৪ জনকে কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে ৬৪ জনকে। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে ৯ জনকে।
তিনি আরও জানান, গত ১০ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত খুলনা বিভাগে মোট ১১২ জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত ও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৪৪ জন করোনা পজিটিভ নিয়ে বিভাগের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে যশোর জেলা। ২১ জন পজিটিভ নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ঝিনাইদহ জেলা। এছাড়া নড়াইল জেলায় ১৩ জন, কুষ্টিয়া জেলায় ১১ জন, খুলনা জেলায় ৯ জন করোনা পজিটিভ ও একজন মৃত, চুয়াডাঙ্গা জেলায় ৭ জন পজিটিভ, মাগুরা জেলায় ৪ জন পজিটিভ, মেহেরপুর জেলায় ২ জন পজিটিভ ও একজন মৃত্যু এবং বাগেরহাট জেলায় একজন পজিটিভ রয়েছেন।
এছাড়া বিভাগে মোট ২৫০৬২ জনকে কোয়ারেন্টিনে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৫৯২ জন রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে। আর ২০০১৭ জনকে কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। আর আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে ২৭৮ জনকে। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে ১৬০ জনকে।








