রংপুরে ডিশ ব্যবসায়ী নাহিদ চৌধুরীকে কোপানোর ঘটনায় রংপুর মহানগর ছাত্রলীগের দুই শীর্ষ নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা হলেন মহানগর ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক তুষার এবং সাংগঠনিক সম্পাদক দিদার। শুক্রবার (১ মে) বিকালে নগরীর দর্শনা এলাকার শুটকির মোড় এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। কোতোয়ালি থানার এসআই এরশাদ আলী এ তথ্য জানান।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল রংপুর নগরীর দর্শনা এলাকার শুটকির মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করেছে। ফেনসিডিল সেবন করতে তারা ওই এলাকায় অবস্থান করছিল।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, নাহিদের ওপর হামলার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আহত নাহিদের স্ত্রী ফেন্সি বেগম বাদী হয়ে ছাত্রলীগের দুই শীর্ষ নেতাসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আসামিদের মধ্যে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য দুজনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
এসআই এরশাদ আলী জানান, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডিশ ব্যবসায়ী নাহিদের মাথায় ১৮টি সেলাই দিতে হয়েছে। তাকে নির্মমভাবে কোপানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, রংপুর নগরীরর পাকার মাথা এলাকার বাসিন্দা নাহিদ চৌধুরী ডিশ ব্যবসা করেন। পাশের বাবু খাঁ এলাকার ছাত্রলীগের রংপুর মহানগর শাখার যুগ্ম সম্পাদক তুষার, সাংগঠনিক সম্পাদক দিদার এবং ছাত্রলীগ নেতা নয়ন ও কালু নাহিদের কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা দিতে না চাইলে তাকে ডিশের ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেন নেতাকর্মীরা। এরই জেরে গত বুধবার বিকালে নাহিদকে মোবাইল ফোনে বাবু খাঁ এলাকায় ডেকে নেন তুষার। নাহিদ সেখানে গেলে দিদারের নেতৃত্বে কয়েকজন রামদা দিয়ে কুপিয়ে নাহিদকে পাশের ড্রেনে ফেলে যান। পরে স্বজন ও এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।







