বেসাময়িক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে নিয়ে কিছু হলেই কটাক্ষ বা গালিগালাজ করা হয়। তবে এখন থেকে আমাদের জেলাকে নিয়ে কটাক্ষ করলেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সভায় তিনি কঠোরভাবে কটাক্ষকারীদের সতর্ক করেন। রবিবার (৩ মে) দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংক্রান্ত কমিটির জরুরি বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান।
বৈঠকে সংসদ সদস্য র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেন, আমরা কারও রক্তচক্ষুকে ভয় পাই না। আমার সহকর্মীদের বলেছি, কারও কারও বিরুদ্ধে আমরা নিয়মিত মামলা করার চেষ্টা করছি। যদি নিয়মিত মামলা না হয়, তাহলে আমরা হয়তো উকিল নোটিশ দিয়ে তাদের আদালতে দাঁড় করাবো।
সভায় করোনার বর্তমান প্রেক্ষাপট তুলে ধরে উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেন, চালচুরি, রিলিফ চুরি, রেশন চুরির ক্ষেত্রে আমাদেরকে আরও সতর্ক থাকতে হবে। যাদেরকে ত্রাণ দেওয়া হবে তারা যেন সঠিক লোক হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে। আর যদি কেউ চাল চুরির জন্য অভিযুক্ত হয় তাহলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সে যদি জনপ্রতিনিধি হয়, আমাদের দলীয় লোক হয় তাহলে দলগতভাবেও আমরা কাউকে ছাড় দেবো না।
উল্লেখ্য, লকডাউনের মধ্যেই ১৮ এপ্রিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় বরেণ্য আলেম মাওলানা জুবায়ের আহমেদ আনসারীর জানাজার নামাজে লাখো মানুষের সমাগম হওয়ার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে কটাক্ষ করে আপত্তিকর পোস্ট দেন। এরপর এ নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় একাধিক অভিযোগ দায়ের করা হয়।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমান, জেলা সিভিল সার্জন ডা. একরাম উল্লাহ, পৌরসভার মেয়র নায়ার কবির, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকারসহ জেলা প্রশাসনের ঊধ্বর্তন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।








